কাশ্মীরের পেহেলগাম ইস্যু ঘিরে পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি)-তে সামরিক সংঘাতে ভারতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সামা টিভি।
রোববার (৬ জুলাই) প্রকাশিত সামা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানে ২৫০’র বেশি ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৩ জন রাফাল পাইলটসহ মোট ৪ জন পাইলট, ভারতীয় বিমানবাহিনীর ৭ জন সদস্য, ১০ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের ‘জি-টপ’ পোস্টের ৫ জন সেনা, ৯৩ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারের ৯ জন এবং আদমপুর বিমানঘাঁটির এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের ৫ জন অপারেটর।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাফাল জেট ক্ষতি এবং কৌশলগত ঘাঁটি ধ্বংসের বিষয়ে ভারত সরকার প্রথমে নীরব থাকলেও পরে উচ্চপদস্থ সামরিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা আংশিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করেছেন।
এছাড়া, নিহত সেনাদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো ছবি বা তথ্য প্রকাশ না করেন। সামা টিভির দাবি, এই পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও প্রচারণার কৌশল গ্রহণ করছে ভারত সরকার।
পাঠানকোট ও উদমপুর বিমানঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আংশিকভাবে নিশ্চিত হলেও, সরকারিভাবে ভারত এখনো ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অস্বীকার করে যাচ্ছে।
পাকিস্তান তাদের ‘অপারেশন বুনিয়ানুম-মারসুস’-এর সফলতার দাবি করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারত সরকারের তথ্য লুকানোর চেষ্টা এবং ‘তথ্য-যুদ্ধ’ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।