শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

এক্স বন্ধ রাখা শাসনব্যবস্থার বিপজ্জনক মডেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪

গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স একমাস ধরে বন্ধ রাখার ঘটনাকে সরকারের শাসনব্যবস্থার ‘বিপজ্জনক মডেল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মানবাধিকার সেলের সভাপতি ও প্রাক্তন সিনেটর ফারহাতুল্লাহ বাবর। এক্স বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) প্রধান আদালতকে বলেছে, তারা ঝামেলা বা জটিলতার মধ্যে রয়েছেন।

তবে এই বক্তব্যকে ‘আঘাতের ওপর অপমান’ বলে বর্ণনা করেছেন বাবর। তার প্রশ্ন, “সমস্যাটা আসলে কী? যেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে তারা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এক্স বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।” আর সেখানে পিটিএ এক্স বন্ধ রাখার কথা স্বীকার করছে না।

ডন জানিয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ৮ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করার পরপরই এক্স বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু সেই অভিযোগের তদন্ত কিংবা ওই কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায়ও আনা হয়নি বলে জানান বাবর। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত যদি কেউ এক্স বন্ধ রাখার দায় না নেয়, তবে পিটিএর মনে কী ঝামেলা বা সমস্যা রয়েছে যে, তারা সেটিকে পুনরায় চালু করেনি।এছাড়া সিন্ধু হাই কোর্ট কয়েকটি আদেশ দেওয়ার পরও পিটিএ এক্স চালু করেনি। তিনি আরো বলেন, তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার যদি এক্স বন্ধের ব্যাপারে কোনো বিজ্ঞপ্তিও দেখতে না পান, তাহলে সরকার কেন বিষয়টি তদন্ত করতে ব্যর্থ হল। আর পিটিএ সবসময় এক্স বন্ধ রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ