শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন

বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! এটা কি হয়?” কেন্দ্রকে তীব্র প্রশ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

ভারত সরকারের পরোক্ষ সহায়তায় বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতারা কলকাতায় অবস্থান করছেন—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নিউটাউনে এক অনুষ্ঠানে ভাষা ও জাতিগত বৈষম্যের প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হয়, এটা তো অমানবিক!”

তিনি বলেন, “ভারত সরকার তো আমাদের কিছু অতিথি পাঠিয়েছে, আমি কি কিছু বলেছি? পার্শ্ববর্তী দেশ বিপদে পড়েছে বলে তারা এসেছে, তাই রাজনৈতিক কারণে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরা তা নিয়ে কোনও আপত্তি করিনি।”

মমতা আরও প্রশ্ন তোলেন, “বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি হয়ে গেল, এটা কেমন কথা? ভারত সরকারই তো কিছু মানুষকে রাজনৈতিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে।”

তিনি ১৯৭১ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “সে সময় যারা উদ্বাস্তুর মতো ভারতে এসেছিলেন, তাঁরা তো ভারতের নাগরিক। আজ তাদের আবার ‘বাংলাদেশি’ বলার প্রশ্নই আসে না।”

কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তির সমালোচনা করে মমতা বলেন, “বলা হয়েছে, বাংলা ভাষায় কথা বললেই রিপোর্ট করতে হবে। তারা বুঝে না, বাংলা ভাষাভাষীর সংখ্যা এশিয়ায় দ্বিতীয়, আর বিশ্বে পঞ্চম।”

তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের ভাষায় বাংলাদেশি টান থাকতেই পারে। ওপার বাংলায় তাদের শেকড়—এটা অস্বীকার করা অনুচিত।”

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। বিশেষ করে যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক এখন পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, তাদের উপস্থিতি এবং অবস্থানের প্রেক্ষিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মতভেদ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ