শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষকের দশম গ্রেডে উন্নীতির প্রক্রিয়া চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষককে দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

শনিবার (২৮ জুন) অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মো. কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়, রিট পিটিশন নং-৩২১৪/২০১৮ অনুসারে হাইকোর্টের রায়ের আলোকে রিটকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে।

অবশিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীতির বিষয়টি এখন সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কাশেম এ বিষয়ে বলেন, “সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এটি দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল। তবে আমাদের দাবি ছিল সকল প্রধান শিক্ষকের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন।”

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত ঘোষণা দেয়। এরপর ১১তম (প্রশিক্ষিত) ও ১২তম (অপ্রশিক্ষিত) গ্রেড নির্ধারণ করা হয়, যা বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে ৪৫ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন এবং তা আপিলেও বহাল থাকে।

এদিকে, অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বেতনস্কেল উন্নীতির প্রক্রিয়া ঘিরে কিছু ব্যক্তি চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। শিক্ষক সমাজকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে এবং যেকোনো আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. কামরুল হাসান জানান, “সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “কারও সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়ালে বা প্রতারণার শিকার হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ