আজ বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিনটি।
সন্তানের জীবনে বাবা শক্তি, সাহস, নির্ভরতা ও নিরাপত্তার প্রতীক। একজন বাবা শুধু পরিবারের উপার্জনকারী নন, তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, প্রথম নায়ক এবং জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের বিশ্বস্ত পথপ্রদর্শক।
বাবা দিবসের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। এই দিবসকে স্বীকৃতি দেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সনোরা স্মার্ট ডড। শৈশবে মাকে হারানোর পর তার বাবা একাই সাত সন্তানকে লালন-পালন করেন। বাবার এই ত্যাগ ও ভালোবাসা উপলব্ধি করে ডডের মনে হয়, মায়েদের সম্মান জানাতে যদি ‘মা দিবস’ থাকতে পারে, তবে বাবাদের জন্যও একটি বিশেষ দিন থাকা উচিত।
তার দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথমবারের মতো বাবা দিবস পালন করা হয়। পরবর্তীতে দিনটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বর্তমানে জুন মাসের তৃতীয় রোববার আন্তর্জাতিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বিশেষ এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার বার্তায় ভরে ওঠে মানুষের টাইমলাইন। কেউ বাবার সংগ্রাম ও ত্যাগের গল্প তুলে ধরছেন, আবার কেউ প্রকাশ করছেন কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।
বাবা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অসীম। একজন বাবা নিজের স্বপ্ন, ইচ্ছা ও আরাম বিসর্জন দিয়ে সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন। তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধ পরিবারের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে এবং সন্তানকে জীবনের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিশ্ব বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।