শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

নন্দীগ্রামের নাগর নদীতে চলছে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন

আমিনুল ইসলাম জুয়েল, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) / ২৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের গুলিয়া কৃস্টপুর গ্রাম সংলগ্ন নাগর নদীতে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মোঃ খোকন হোসের কিছু শ্রমিক দিয়ে বালু উত্তোলন করছে এবং ট্রাক দিয়ে সেসব বালু বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতি ট্রাক বালু ১ হাজার টাকায় বিক্রি করছে এবং মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শারমিন আক্তারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে লোক পাঠিয়ে ছিলাম, সে জানিয়েছে স্পটটি নন্দীগ্রাম থানার মধ্যে পরেনি বালু তোলার স্পটটি অন্য থানার আন্ডারে।

এ বিষয়ে উপজেলার ৪নং ভুমি অফিসের নায়েব মোঃ জমসেদ আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত স্পটটি অন্য থানার আন্ডারে পরেছে। শুধু নাগর নদীর বাধ নন্দীগ্রাম উপজেলার মধ্যে, নদী অন্য থানার আন্ডারে।

তবে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মুকুল হোসেন জানায়, উক্ত বালুর তোলার স্পট টি নন্দীগ্রাম থানার ভিতরে পরেছে যা কাগজপত্র ও নকশায় বিদ্যমান। আরেক স্থানীয় ব্যাক্তি ভুট্টু মিয়া জানান, আমাদের জন্ম থেকে দেখে আসছি জায়গাটি নন্দীগ্রাম সীমানার মধ্যে। ২টি থানার মাঝামাঝি জায়গা হওয়ায় কিছু বিশেষ ব্যাক্তির সহযোগীতায় সবার চোখে ধুলা দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই সিন্ডিকেট।

বিষয়টি নিয়ে সরাসরি উপজেলাপ নির্বাহী কর্মকর্তার সরেজমিনে পরিদর্শন ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকা বাসী।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ