অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জানানো হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “পৃথিবীর কোনো শক্তি এই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।”
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের হত্যাযজ্ঞের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে দেখে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি মরিয়া হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টের চেষ্টা করছে। তার মতে, এটি এখন শুধুই আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের অসন্তোষ নিরসনে দুটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। বদলি হওয়া কর্মীদের আগের স্থানে ফেরানো এবং সাময়িক বরখাস্তদের পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শফিকুল আলম জানান, “কর্মবিরতির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও গ্রাহকসেবা ব্যাহত হলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”
তিনি আরও বলেন, কর্মীদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তবে আন্দোলনে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে “দেশবিরোধী শক্তি ইন্ধন দিচ্ছে।”
বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ একাধিক উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।