শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

“মুজিবনগর সরকারের নাম পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই”

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

মুজিবনগর সরকারের নাম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা লে. কর্নেল (অব.) ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক)। তিনি বলেন, “ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না, বরং তা সম্মানের সঙ্গে স্মরণ রাখতে হয়। পরবর্তী সরকার চাইলে পরিবর্তন আনতে পারে, তবে বর্তমান সরকার ইতিহাস বিকৃতির পথে হাঁটছে না।”

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও গার্ড অব অনার প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “মুজিবনগর সরকার কোনো প্রবাসী বা অস্থায়ী সরকার ছিল না। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক সরকার, যার নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়।”

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত প্রশ্নে উপদেষ্টা জানান, মুক্তিযোদ্ধার প্রকৃত তালিকা তৈরিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বর্তমানে আদালতে ২৭০০’র বেশি মামলা বিচারাধীন থাকায় তালিকা চূড়ান্ত করতে বিলম্ব হচ্ছে।

মুজিবনগরের আম্রকাননে ভাস্কর্য ভাঙচুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সব ভাস্কর্য দ্রুত পুনঃস্থাপন করা হবে, তবে তা হবে ঐতিহাসিক সত্যনিষ্ঠার ভিত্তিতে—কোনো মিথ্যা আরোপ করা হবে না।”

দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সম্মিলিতভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুষ্পার্ঘ অর্পণের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপদেষ্টাসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

গার্ড অব অনার শেষে ১৯৭১ সালের মূল গার্ড অব অনারে অংশ নেওয়া বেঁচে থাকা দুজন আনসার সদস্য—সিরাজ উদ্দিন ও আজিমউদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ