ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করায়, বাংলাদেশ এখন আকাশপথে পণ্য রপ্তানিতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে সরকার কার্যক্রম শুরু করেছে এবং সচিবালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, যোগাযোগব্যবস্থা জোরদার করতে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও খরচ বৃদ্ধি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে দেশের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকতে চাই না।’ ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করলেও, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং দেশের বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না, এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন বশিরউদ্দীন।
ভারত যখন ৮ এপ্রিল বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে, তখন অনেক রপ্তানিকারক বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে, গার্মেন্টস পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ভারতে প্রবেশ করতে না পারায় ফেরত চলে আসে। তবে, ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।
বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই সুবিধা বাতিলের ফলে তৃতীয় দেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশের জন্য আসা পণ্যবাহী ট্রাকগুলি বাধার সম্মুখীন হয়েছে, তবে ভারতীয় ভূখণ্ড দিয়ে নেপাল ও ভুটানে রপ্তানি কার্যক্রম এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।