শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

এস আলমের দুই প্রতিষ্ঠানের বিআইএন লক

বাণিজ্যক ডেস্ক / ১১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪

নানা কেলেঙ্কারিতে ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের সুদসহ প্রায় সাত হাজার ৭১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি সামনে এসেছে। ফাঁকি দেওয়া টাকা উদ্ধারে প্রতিষ্ঠান দুটির বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) লক (স্থগিত) করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠান দুটির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ (অপ্রচলনযোগ্য) করা হয়েছে।  চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন পটিয়া ভ্যাট বিভাগ থেকে এরই মধ্যে দেশের ৫৭টি ব্যাংকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিষ্ঠান দুটি হলো— এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড।

মূসক আইনের ধারা ৯৫ অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া রাজস্ব পরিশোধ না করলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানেরও বিআইএন লক করা যায়। এস আলমের ওই দুই প্রতিষ্ঠান বকেয়া সাত হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেনি।

এদিকে, গ্রুপটির সহযোগী নয়টি প্রতিষ্ঠানের আরও এক হাজার ৪১২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন ও দাবিনামা জারি করা হয়েছে বলেও একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এনবিআর সূত্র জানায়, গত ৯ জুন চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট ওই দুই প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ফাঁকি দেওয়া তিন হাজার ৫৩৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা ভ্যাট, তিন হাজার ৫৩১ কোটি ৮১ লাখ টাকা জরিমানা এবং এর ওপর প্রযোজ্য সুদের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে পরিশোধের নির্দেশ দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠান দুটি তা পরিশোধ করেনি। তাগাদা দেওয়া হলেও ভ্যাট পরিশোধের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে প্রতিষ্ঠান দুটির বিআইএন লক ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কমিশনারেট সূত্রে জানা যায়, বকেয়া রাজস্ব পরিশোধ না করা হলে আইন অনুযায়ী গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিআইএন লক করার বিধান রয়েছে। ফলে এস আলম গ্রুপের ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব পরিশোধ না করা হলে সহযোগী নয়টি প্রতিষ্ঠানেরও বিআইএন লক করা হবে। ইতোমধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এক হাজার ৪১২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন ও দাবিনামা জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভ্যাট বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মূসক আইনের ধারা ৯৫ অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া রাজস্ব পরিশোধ না করলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানেরও বিআইএন লক করা যায়। এস আলমের ওই দুই প্রতিষ্ঠান বকেয়া সাত হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেনি। ফলে আইন অনুযায়ী বকেয়া আদায়ে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিআইএন লক করার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা ওই পদক্ষেপে যাব।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ