শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

সুপারিশ আমলে নেবার কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন (ফাইল ফটো)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল সফর শেষে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৫ দফা সুপারিশ করে বিবৃতি দিয়েছে। অন্তর্ভূক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য দলগুলোর সংলাপ করার পরামর্শ দিয়েছে তারা। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বিবৃতিতে তারা অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মাতব্বরি করে গেছে। এটিকে, আমলে নেবার কিছু নেই।

ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিক ইনস্টিটিউট ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি দলের সফর শেষে বিবৃতি জানিয়েছে মার্কিন এই সংস্থা দুটি।

দশ পাতার বিবৃতিতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক দলগুলোর সভা সমাবেশ করার স্বাধীনতা, সবার অংশ গ্রহণমূলক ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতাসহ বেশ কিছু সুস্পষ্ট ৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

তাদের সুপারিশ মত সংলাপে বসবে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “তারা ফরমায়েশি একটি বিবৃতি দিয়েছে। একে কি বললো না বললো তাতে কিছু যায় আসেনা। তাদের দেশেই কোনো দিন নির্বাচন পর্যবেক্ষক নেয়না।

বলেন, দল দুটির এমন সুপারিশ করার কথা ছিল না। উল্টো মাতব্বরির মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “তারা যে কারণে আসলেন সেটা বলেননি, উল্টো কিছু মাতব্বরি করে গেছেন। জনগণ যদি ভোট দেয় জনগণ যদি নির্বাচনে আসে সেটাই যথেষ্ট। আমরা বিদেশের উপর নির্ভরশীল নই।”

সমালোচনা করেন, এসব বিষয় গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করার বিষয়েও। এতে করে, বিদেশিরা অনুপ্রাণিত হয় বলেও মন্তব্য মোমেনের।

তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিকে আলোচনার জন্যে সেই ফাকে কেউ কেউ নির্বাচনের কথা জিজ্ঞেস করেন। তাতে তারা খুব মজা পান যে বাংলাদেশের মিডিয়া তাদেরকে খুব পাত্তা দেয়। আপনাদের কারণেই তারা সুবিধা নিয়ে থাকে।”

পর্যবেক্ষকের প্রয়োজন নেই। দেশের জণগণ ভোট দিলে এমনিতেই এর গ্রহণযোগ্যতা আসবে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুনিয়ার অধিকাংশ দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষক বলতে কিছু নাই। কিন্তু সে দেশগুলো ভালো চলতেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ