শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

কচুয়ার গুলবাহারে মৌমাছির দখলে ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি!

আফাজ উদ্দিন মানিক / ৩১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নের গুলবাহার গ্রামের জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা শামছুল আলম খানের নির্মাণাধীন দু’তলা বাড়ি মৌমাছিদের দখলে রয়েছে। শামছুল আলম খান গুলবাহার গ্রামের খান বাড়ির প্রয়াত আব্দুল কাদের খানের পুত্র। তিনি রহিমানগর বাজারস্থ সাতবাড়িয়া জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

তবে এই মৌমাছিরা কখনও কাউকে আক্রমণ করেননি বলে বাড়ির মালিক ও আশেপাশের লোকজন জানান। প্রথম প্রথম সংঘবদ্ধ মৌচাক দেখে পরিবারের সবাই ভয়ে আতংকিত থাকলেও এখন আর কেউ ভয় পায় না। বরং নিয়মিত মধু সংগ্রহ করে আনন্দিত শামছুল আলম খানের পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের চাহিদা পূরণ করেও মধু বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন এই বাসার মালিক।
ভবনটি করার কিছুদিন পর থেকেই মৌমাছিরা এসে তার ভবনে বাসা বাঁধে। প্রথম বছর দু-একটি করে চাক তৈরি করলেও প্রতিবছরই এই চাকের পরিমাণ বাড়তে থাকে। গত ৩বছর নাগাদ তার ভবন ও ভবনের পাশের গাছে মধুর চাক বসিয়েছে। বর্তমানে ওই বাড়িতে প্রায় ১২টি মধুর চাক রয়েছে।

ব্যাংকার শামছুল আলম খান বলেন, মৌমাছিদের পরিচর্যা,মধু সংগ্রহ ও সংরক্ষন সবই আমি করে থাকি। মৌমাছিদের কেউ বিরক্ত না করলে তারা এভাবেই থাকবে বলে আশা করেন বাড়ির মালিক। বছরের প্রায় অর্ধৈক সময় মৌমাছিরা তাঁর ভবনের চারদিক ঘিরে রাখে।

প্রতিবেশী বিপ্লব খান জানান, শামছুল আলম খান সম্পর্কে জেঠাত ভাই। তার ভবনের চারদিকে প্রায় ৩বছর যাবৎ জানুয়ারির শুরু থেকে বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মৌমাছিরা বাসা বাঁধে। এ গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। মৌমাছির বাসা দেখতে প্রতিনিয়ত এলাকার সৌখিন লোকজন ওই বাড়ির আশপাশে ভিড় জমায়। শামছুল আলম খানের জামাতা সাপ্তাহিক শিকড় সংবাদ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দিন মজুমদার জানান, শ^শুরালয়ে বেশকিছু মৌমাছির বাসা রয়েছে। প্রথমত বিষয়টি কৌতুহলী ও ভয়ংকর মনে হলেও বর্তমানে তা পরিবারের সদস্যদের মতো মানিয়ে নেয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সোফায়েল হোসেন বলেন, পরিকল্পিকত ভাবে মধু বাসাগুলো সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। তবে মৌমাছির চাক গুলোকে যাতে কেউ বিরক্ত না করা হয় সেই দিকে সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি মধুর যে চাক রয়েছে সেই চাক গুলো কেটে মধু সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন তিনি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ