শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

হাইমচর সদর আলগী বাজারে ঈদের কেনাকাটার হিড়িক

মো: মহসিন মিয়া / ২৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২

করোনা মহামারির কারণে বিগত দুই বছরে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে  কিছুটা ভাটা থাকলেও এবার আসন্ন রমজানের ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে হাইমচর সদর আলগী বাজারের ঈদের বেচাকেনা।
দেখা গেছে, যতই ঈদ ঘনিয়ে আসছে, ততই ক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে। বেচাকেনা জমে ওঠায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন পোশাক বিক্রেতারা। পাশাপাশি জুতার দোকানেও বিক্রয়কর্মীদেরও তুলনামূলক ব্যস্ততা বেড়েছে। বাজারের মেইন গলি, বালুর মাঠ মধ্যগলি,বেপারী মার্কেট, খান  মার্কেট সহ বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। অনেককে দেখা গেছে, পুরো পরিবার নিয়ে এসেছেন ঈদের কেনাকাটা করতে। প্রায় সব দোকানেই ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের পোশাক বেছে নিতে ভিড় করেছে।
বৃহস্পতিবার  (২১ এপ্রিল) দিনব্যাপী বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণি বিতান ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের বিভিন্ন বড় ক্ষুদ্র ও অভিজাত দোকান গুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। ঈদ বাজার ধরতে বাহারি রঙের পোশাক ঝুলিয়ে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বাহারি কারুকাজ, হাতের নকশা, ব্লক, নানা রঙের কাপড়ে রঙের ছাপসহ বিভিন্ন রঙিন নতুন পোশাকে সেজেছে কাপড়ের দোকানগুলো। এসেছে নতুন নতুন কালেকশনও। ক্রেতারাও পছন্দের পোশাক দেখেশুনে কিনছেন। তবে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভিড় অনেক বেশি। বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা এবং ইফতারের পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকে।
পোশাক বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোশাকের সুতা ও ডিজাইনে গরমকে প্রাধান্য দিয়ে আনা হয়েছে নতুনত্ব। আর বেশিরভাগ পোশাকই রাখা হয়েছে সুতি কাপড়ে। ছেলে-মেয়ে-শিশু সবার জন্যই রয়েছে সব ধরনের পোশাক। অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের বিশাল সমাহার রেখেছেন তারা। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেয়া।
প্রতিবছর রমজানের মাঝামাঝি সময়ে ঈদের কেনাকাটা শুরু হলেও এবার রোজার শুরুতেই মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। মানুষের ভিড়ে পুরো বাজার এক হয়ে আছে। তাতেই হাসি ফুটেছে বিক্রেতাদের মুখে। তবে পোশাকের দোকানে প্রচুর ক্রেতা সমাগম দেখা গেলেও সেই তুলনায় জুতার দোকানে বেচাকেনা এখনো তেমন জমে ওঠেনি।
বাজারের পুরনো ব্যাবসায়ী মেসার্স তানিয়া ষ্টোরের সর্তাধিকারী দেওয়ান মোঃ নাসির বলেন, আমরা পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শিশু থেকে শুরু করে বড়দের পর্যন্ত চাহিদা অনুসারে কেনাকাটার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছি। পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি, থ্রিপিসসহ সব ধরনের ঈদপোশাক পর্যাপ্ত রাখা আছে। বেচাকেনা মোটামুটি জমে উঠেছে। আশা করছি, ঈদ যতই ঘনিয়ে আসবে ব্যবসা আরো জমে উঠবে।
কথাহয় পরিবারকে সাথে নিয়ে ঈদের শপিং করতে আসা সোহেল পাটওয়ারীর সাথে তিনি বলেন, কেনাকাটা করা থেকেই শুরু হয়ে যায় ঈদের আনন্দ। উৎসবের পুরো আনন্দ পেতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি। ছেলেমেয়েদের কেনাকাটা শেষ করেছি আজ। দুদিন পর আবার এসে নিজের কেনাকাটা করব।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ