শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

বুস্টার ডোজ নিলেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
ফাইল ফটো

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে টিকার বুস্টার ডোজ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দুইবারের মতো এবারও নেতা-কর্মীদের ভিড়ে গাড়িতে বসেই টিকা নেন তিনি।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ডোজ নিতে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে পৌঁছান তিনি।
এর আগে বিকাল ৪টার দিকে খালেদা জিয়া তার বাসা ফিরোজা থেকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।

বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম জিয়া তৃতীয় ডোজ অর্থাৎ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। তাকে বুস্টার ডোজ হিসেবে ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছে।

গত ১৯ জুলাই একই হাসপাতালে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন বেগম জিয়া। এরপর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছিলেন ১৮ আগস্ট। সেবার তিনি মর্ডানার টিকা গ্রহণ করেছিলেন।

আর্থাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারসহ নানা রোগে আক্রান্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত বছরের ১০ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন। সে মাসের ২৭ তারিখ প্রথমবারের মতো হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তখন ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন।

এরপর গত ১২ অক্টোবর আবারও দ্বিতীয়বারের মতো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি নেত্রীকে। ২৬ দিন থাকার পর হাসপাতাল ত্যাগের মাত্র ৭ দিনের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন বেগম জিয়া।

এর মধ্যেই নতুন করে যুক্ত হয় তার লিভার সিরোসিসের সমস্যাটি। বেশ কয়েকবার পাকস্থলিতে রক্তক্ষরণ হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর।

হাসপাতালে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে ৮১ দিন পর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ফিরোজার বাসভবনে ফিরিয়ে আনা হয় বেগম জিয়াকে। যদিও এর মধ্যে দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার।

এরপর ২ বছর ১ মাস ১৭ দিন সাজাভোগের পর পরিবারের আবেদনে সরকার মানবিক দিক বিবেচনায় তার সাজা স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্তি দেয়। এরপর কয়েকদফা বৃদ্ধি করা হয় তার মুক্তির মেয়াদ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ