শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

রমেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসকের অর্ধেক পদই শূন্য

রংপুর ব্যুরো / ২৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ১০ চিকিৎসকের মধ্যে ৫ জন দিয়ে চিকিৎসা চলছে। এছাড়া ১৬টি বেডের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র ১২টি বেড। দগ্ধ ২৪ জন রোগীদের অন্য ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারন করেছে। এই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের সেবা দেয়ার জন্য রয়েছে মাত্র ৫ জন চিকিৎসক। এছাড়া শিক্ষানবিশ চিকিৎসক আর আয়াদের রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। খাতা কলমে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে সাত চিকিৎসক ও ৩ জন প্রভাষক দায়িত্বে থাকার কথা। বর্তমানে বার্ন ইউনিটের অধীনে ৪০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বার্ন ইউনিটে ১২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য ৩টি ওয়ার্ডে ৮জন করে রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ৮ জন শিশু, ৮ জন নারী ও ৮ জন পুরুষ রয়েছে।
এদিকে বার্ন ইউনিটে কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেন, বার্ন ইউনিটে ভালো সেবা নেই। চিকিৎসক নেই। চিকিৎসাও ব্যয়বহুল। স্যালাইন ছাড়া হাসপাতাল থেকে আর কিছুই দেয়া হয় না।

চলতি শীত মৌসুমে অগ্নিদগ্ধ হয়ে গত এক মাসে এই ইউনিটে এখন পর্যন্ত ৩ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শীতের হাত থেকে বাঁচতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জনের মত রোগী। চিকিৎসক এবং ওষুধ সংকটের ফলে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বার্ণ ইউনিট ও প্লাষ্টিক সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এম. এ হামিদ পলাশ জানান, মোট ১০টি পদ থাকলে শুধু ৫ জন কাজ করছি। ১৬টি বেডের মধ্যে ৪টি বেড নষ্ট থাকায় দগ্ধ রোগীদের অন্য ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম বলেন, আমি জরুরী মিটিংয়ে রয়েছি। বার্ন ইউনিটের বিষয়ে পরে কথা বলব ।(বিডি প্রতিদিন)


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ