রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিবের আদালত শুনানি শেষে ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার পুলিশের উপ পরিদর্শক সালাউদ্দিন মোল্লা তিন দিনের রিমান্ড শেষে ইফতেখারকে আদালতে হাজির করে আবার পাঁচ দিনের হেফাজতে নিতে আবেদন করেন। এতে বলা হয়, তিন দিনের রিমান্ডে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আসামি অনেক তথ্য গোপন করে যাচ্ছেন। তাকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
প্রথমে আদালতে বনানী থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউর মো. শামসুর রহমান নতুন করে রিমান্ডের কথা বলেন।
অপরদিকে আসামির পক্ষে আইনজীবী জিল্লুর রহমান রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ইফতেখারের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পেয়েছিল পুলিশ।
গত ১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর বনানীতে স্বামীর বাসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মেঘলা অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে গুলশান ইউনাইটেড হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্বজন ও তার সহপাঠীরা মেঘলার শরীরে আঘাতের অনেক চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি করেন। তবে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষের দাবি তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
ওই দিন রাতে মেঘলার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে মেঘলার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শ্বশুর অবসর প্রাপ্ত লে. কর্নেল মো. আমিন ও শ্বাশুড়ি শিরিন আমিনকে আসামি করা হয়।