শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

রেমিটেন্স গ্রহণকারী দেশের মধ্যে ৮ম স্থানে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক / ৩৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১

বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদন ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশ ৮ম বৃহত্তম রেমিটেন্স গ্রহণকারী দেশ এবং ৬ষ্ঠ বৃহত্তম অভিবাসী প্রেরণকারী দেশ।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপর বুধবার তার ফ্ল্যাগশিপ ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট ২০২২ প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যায়- দুর্যোগ, সংঘর্ষ ও সহিংসতায় অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এমন একটি সময়ে যখন কোভিড-১৯ এর কারণে ভ্রমণে সীমাবদ্ধতায় বিশ্বব্যাপী গতিশীলতা স্থবির হয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনটি গত দুই বছরের অভিবাসনের অগ্রগতির উপর নজর দিয়ে ঐতিহাসিক এবং সমসাময়িক কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে বিশ্লেষণ প্রদানের উপর জোর দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে বিশ্বে প্রায় ২৮১ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক অভিবাসী ছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে ৭.৪০ মিলিয়ন বাংলাদেশি অভিবাসী বাস করত বিদেশে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বসবাস করা সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী বিদেশে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী দেশে ২০১৯ সালে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি পাঠিয়েছে, এর ৭৩ শতাংশ এসেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোতে কর্মরতদের থেকে।

এই রেমিটেন্স জিডিপির ৬.০ শতাংশেরও বেশি, যা কিনা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশী আয়ের উৎসের প্রতিনিধিত্ব করে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রচেষ্টায় উৎসাহিত এবং সহজতর করায় রেমিটেন্স বৃদ্ধিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১৯ সালের ঊর্ধ্বসীমা তিনগুণেরও বেশি বাড়িয়েছে নগদ প্রণোদনা স্কিম-যার মাধ্যমে রেমিটেন্স সুবিধাভোগীরা অনুমোদিত সিস্টেম ব্যবহার করে স্থানান্তরের উপর প্রতি ২.০ শতাংশ বোনাস পান।

এছাড়া, কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স প্রেরণ উৎসাহিত করতে অতিরিক্ত এক শতাংশ ইনসেনটিভ প্রদান করছে।- বাসস


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ