অপরদিকে আওয়ামী মননশীলতার আদালতের বাইরে আওয়ামী লীগের মুষ্টিমেয় লোকদের হাতে ক্ষমতা এখন। সদরে এক অন্তরে আরেক এমন নেতারা এখন রুটি রুজির ব্যস্ততায় দিন কাটাচ্ছে। হাইব্রিড আর কাউয়াদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে। ২০২১ সালে জামায়াত-বিএনপি’র হাতে নির্যাতিতরা এখন সর্বস্বান্ত। অদৃশ্য সুতোর টানে পুতুলের নাচ দেখে দেখে প্রকৃত কর্মীরা যেন বিমোহিত হচ্ছে। বর্তমান ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করলেও কোন অদৃশ্য সুতোর টানে ওর কিনারা করতে পারছেন না। যার ফলে দিন যতই যাচ্ছে ফরিদপুর আওয়ামী লীগ অপরদিকে ততই এগুচ্ছে। সত্যের শক্তিতে হরিয়ানা আওয়ামীলীগ কে বাঁচাতে নীল সাদা গোলাপের রাজনীতি না সারলে অদূর ভবিষ্যতে ফরিদগঞ্জ রাজনীতিতে হাইব্রিড তোষামোদকারীদের হাতে জিম্মি দশায় পরিণত হবেবলে প্রকৃত আওয়ামী লীগ মনে করে।
তিন দশক ধরে তৃণমূলে যারা রাজনীতি করে তাদের বিপদে-আপদে দেখার যেন কেউ নেই। অথচ দল ক্ষমতায় থাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। এছাড়া গত ২০১২ সালে উপজেলার পৌরসভাসহ ১৬টি ইউপিতে আওয়ামীলীগের সম্মেলন হয়। ৯ বছর অতিবাহিত হলেও সিংহভাগ ইউপির সভাপতি ও সম্পাদক গন একটি বর্ধিত সভা করতে পারেনি। শুধু ব্যক্তি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভালোদের আদলে বর্ণচোরাদের পক্ষে কাজ করছে। বর্তমানে সত্যের শক্তিতে উপজেলা আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে ঐক্যের বিকল্প নেই। এমনটা মনে করছেন ফরিদগঞ্জ আওয়ামী পরিবার রা।