গাজীপুর জেলার জয়দেব পুর থানার অধিনে বাঘের বাজার কাপাসিয়া নামে এক খাবার হোটেলের দীর্ঘ দিন যাবত মানসম্মত কোন পরিবেশ ছিল না।তাই অপরিচ্ছন্ন খোলামেলা খাবার অপরিষ্কার ভাবে পরিচালনা করার কারণে গোপন সূত্রে কিছু তথ্য এবং অভিযোগ পাওয়া যায়।
তথ্য প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী একুশে সংবাদ এর সংবাদকর্মী স্টাফ রিপোর্টার খাদিজা আক্তার রউজা ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গত ৭ নভেম্বর কাপাসিয়া খাবার হোটেলে গিয়ে দেখে হোটেল মালিক শফিকুল ইসলাম হোটেলে নেই । কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানতে পারে তিনি বাসায় আছেন।
তখন একুশে সংবাদকর্মী খাদিজা আক্তার রউজা তাহার মুঠোফোনে কল দিয়ে পরিচয় দেয় এবং উনাকে হোটেলে আসতে বিনীতভাবে অনুরোধ করেন। তিনি হোটেলে আসার আগেই ফোন দিয়ে কিছু কিছু সাংবাদিকদের আসতে বলে যাদের নাম বলে আমি তাদের ছোট করতে চাচ্ছি না। তার কিছুক্ষণ পরেই হোটেল মালিক শফিকুল ইসলাম হোটেলে এসে উপস্থিত হন।
অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা কতটুকু আমি তা জানতে চাই এবং ওনার ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা তা জানতে চাইলে উনি আমাকে কিছু কাগজপত্র দেখান যার কোন বর্তমান ডেট ছিল না। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও অর্থবছরের ট্রেড লাইসেন্স পেয়ে আমাকে দেখালে আমি সেখান থেকে আমার শ্রদ্ধেয় বড় মানিক ভাই, জাফর, মিলন সেখ শাহীন সহ সবাই এক সথে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসি এবং হোটেল মালিক শফিকুল ইসলামকে বলি আপনার জরুরী কাগজপত্র গুলি তাড়াতাড়ি ঠিক করে ফেলবেন।এবং খাবার দাবার সঠিক এবং সুন্দর ভাবে ঢেকে রাখবেন। এই কথা বলে আমরা তখন চলে আসি।
উনার সাথে আমার কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্ব না থাকা সত্ত্বেও গত নভেম্বরের ১১ তারিখে একুশের সংবাদকর্মী স্টাফ রিপোর্টার খাদিজা আক্তার রউজার নামে জয়দেবপুর থানায় একটি মিথ্যে এবং হয়রানিমূলক অভিযোগ দায়ের করে।
দায়েরকৃত অভিযোগে গাওয়া হয় হোটেল মালিক শফিকুল ইসলাম একুশের সংবাদকর্মী নাকি তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবি করলে তিতি তা দিতে বাধ্য হন এবং ওনার হোটেলের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ আরও ৪৫০০শত টাকা দ্বাবি করে অভিযোগটি দায়ের করে।
এই অভিযোগের আয়ু ছিলেন এসআই রাকিবুল তিনি অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ সঠিক তদন্ত ও বিবেচনা করে উভয় পক্ষকে ১৫ নভেম্বরে বাদ মাগরিব উভয়পক্ষকে ডেকে পুলিশ ফাঁড়িতে বসে এই অভিযোগের প্রত্যাহার করে দেন।
এসময় এখানে উপস্থিত ছিলেন সদর প্রেসক্লাবের সম্মানিত সভাপতি আমার বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক সাহেব এবং যুগান্তরের কাশেম সাহেব, এবং মানিক ভাই সহ আরও অনেকই সকলের সহযোগিতায় এই মিথ্যা অভিযোগটির প্রত্যাহার করেন। এই অভিযোগের আয়ু রাকিবুল সাহেব সহ আরো অন্যান্য যাদের সহযোগিতায় এই মিথ্যে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয় তাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। এবং এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
একটা কখা না বললেই নয়,ছাগলের মুখেও কিন্তুু দাড়ি থাকে তবুয় সে মসজিদে নামাজ পরেতে পারেন কারণ সে ছাগল। আর হোটেল মালিক সফিকুল ইসলাম মুখে নবীর সন্নতি দাড়ি এবং টুপি মাথায় দিয়ে পাঁচ অক্ত নামাজ পড়ে যে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আমাকে অভিযুক্ত করে আমার দীর্ঘদিনের মূল্যবান ক্যারিয়ার মান ইজ্জত, ও সম্মানর মানহানি করার কারণে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
হোটেলমালিক শফিকুল এবং তার সহযোগীদের পরামর্শে সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং হয়রানি মূলক অভিযোগ করে যে নেক্কারজনক কাজ করলেন। একটা কখা না বললেই নয়,ছাগলের মুখেও কিন্তুু দাড়ি থাকে তবুয় সে মসজিদে নামাজ পরেতে পারেনা কারণ সে ছাগল। আর হোটেল মালিক সফিকুল ইসলাম মুখে নবীর সন্নতি দাড় এবং টুপি মাথায় দিয়ে পাঁচ অক্ত নামাজ পড়ে যে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আপনাকে অভিযুক্ত করলেন এটার প্রতি ফল সে পাবে আশা রাখলাম।
তখন বুঝবে আসল নকল সাংবাদিক এর পার্থক্য কতোটা এবং কেমন হয়। সত্য কথা বলার সাহস নাই লোক কাপুরষ হয়। সম্মানহানি করার প্রতি ফল একদিন না একদিন সে এবং ২০০০ হাজার টাকা না আল্লাহ চাহেতো কতো টাকা যে বেড়িয়ে যাবে তখন বুঝবে আসল নকল সাংবাদিক এর পার্থক্য কতোটা এবং কেমন হয়। চাঁদাবাজির মিথ্যা অপবাদে অভিযোগ দায়ের করে শুধু আমাকে ছোট করা হয়নি। এই লজ্জা কার? আমার একার? না,কিছতেই না।এই লজ্জা গোটা সাংবাদিক জাতির। কিন্তুু এই সাংবাদিকরাই উস্কিয়েছে শফিকুল ইসলামকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে।
ছি….কি লজ্জা এক কুকুর আরেক ককুরের মাংস খায়না।অথচ এক সাংবাদিক আরেক সাংবাদিকের সম্মান হানি করে বিশণ সুখ পায় এরা সাংবাদিক নামের কলঙ্ক ধিক্কার জানাই এদেরকে।