শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

বহুমাত্রিক দূষণে অস্তিত্ব হারাচ্ছে ঢাকার নদী

ঢাকা ব্যুরো / ২৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১

সাড়ে ৪ হাজার টন বর্জ্য আর ৫৭ লাখ টন দূষিত পানির গন্তব্য রাজধানীর নদীগুলো। লোক দেখানোর জন্য কারখানায় আছে শোধনাগার। কিন্তু খরচ বাঁচাতে তা বন্ধ রাখে মালিকপক্ষ। বহুমাত্রিক দূষণ-দাপটে তাই অস্তিত্ব হারাচ্ছে ঢাকার নদ।

নালা বেয়ে উপচে পড়া গরম পানির গন্তব্য শীতলক্ষ্ম্যা। এমন কতো শত গ্যালন দূষিত পানি প্রতিনিয়তই মিশে যাচ্ছে আর সব নদীর বুকে। যারা মাছ ধরতেন তারা অসহায়। এতো গরম আর দূষিত পানিতে মাছ তো দূরে থাক জলজ উদ্ভিদও জন্মাচ্ছে না বহুদিন।

বিগত বছরগুলোতে যেসব প্রজাতীর মাছ এই নদীতে দেখা যেতো তা এখন পাওয়া যায় না। আর এরই জন্য দায়ী শীতলক্ষ্ম্যার পাড়ে গড়ে ওঠা অসংখ্য শিল্প কলকারখানার দূষণ। দুর্গন্ধে পেশা ছেড়েছেন নৌকার মাঝি আর ঘাটের পাটনী। শেষ কবে গোসল করেছেন শীতলক্ষ্ম্যার পানিতে তাও মনে নেই অনেকের। আছে ইঁটভাটার দূষণ। গলানো বর্জ্য ফেলছে মাঝারি আর ভারি শিল্প। অন্য কারখানার মোটাপাইপ মিশেছে নদীর তলদেশে। তাই বর্জ্য ভাগাড়ে পরিণত রাজধানী ঢাকার সবগুলো নদী। বর্জ্য পুড়িয়ে বছরজুড়েই নদীতীরে দূষণ ছড়ায় ছোটখাট কারখানা। সেই আগুনে দগ্ধ হয় জাহাজ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। আরও আছে ডায়িং ফ্যাক্টরির অত্যাচার।

শিল্প পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “ইন্ড্রাস্ট্রিগুলো যাতে নদীকে দূষিত না করে তারা যাতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বর্জ্যগুলো নিউট্রাল করে। ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল পুলিশের পক্ষ থেকে যতটুকু প্রয়োজন আছে তা আমরা করছি এবং ভবিষ্যতে আরও করবো। একই সাথে আইনের কঠোর প্রয়োগেরও দরকার।” দখল-দূষণে একাকার শীতলক্ষ্ম্যা নদে অনেক দিন ধরে কীটপতঙ্গ নেই। আসে না শাদা বক, শঙ্খচিল কিংবা পাখির ঝাঁক।

স্থানীয়রা জানান, পানি একেবারে দূষিত করে ফেলেছে। আশপাশে কত গাছপালা, কীটপতঙ্গ ছিল এখন কিছুই নেই। পোকা-মাকড়ই নেই শীতলক্ষ্ম্যায়, মাছ থাকবে কোথা থেকে। আগে নদীর পানি আমরা খেয়েছি, আর এখন গোসল করলে শরীর চুলকায়। মাছ কি করে থাকবে।

যেকোনো মূল্যে শীতলক্ষ্ম্যার নিটোল জল ফেরত চান নদীপারের মানুষ। প্রতিদিনকার দখল আর দূষণে সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে বৃহত্তর ঢাকাবাসীর প্রাণের অহঙ্কার শীতলক্ষ্ম্যা নদী। নদীর দুই পাশে গড়ে ওঠা অসংখ্য শিল্প-কলকারখানার দূষিত বর্জে্য ময়লার খালে পরিণত হয়েছে এই নদীটি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ