শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

মুসলিম সভ্যতার অনন্য নিদর্শন কর্ডোবা মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৬২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

মুসলিম সভ্যতার অনন্য নিদর্শন স্পেনের কর্ডোবা মসজিদ।

১৯৮৪ সাল থেকে মসজিদটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত।

ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর নির্মাণশৈলী এবং ব্যাতিক্রমী কারুকার্যের কারণে এ মসজিদটি মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য কীর্তি হিসেবে আজও বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

গবেষণায় দেখা যায় যে, অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে ৭৮৬ সালে খলিফা আব্দুর রহমান (প্রথম) এটির নির্মাণ শুরু করেন। ইতিহাস বলে খলিফা নিজেই মসজিদ নির্মাণ কাজে শ্রম দিতেন।

৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আব্দুর রহমানের ছেলে খলিফা হিশাম মসজিদটির প্রাথমিক কাজ সমাপ্ত করেন। তখন কর্ডোবা মসজিদের আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ৬০০ ফুট এবং প্রস্থে ৩৫০ ফুট।

নবম শতাব্দীতে খলিফা আবদুর রহমানের (তৃতীয়) তত্ত্বাবধানে পরিপূর্ণভাবে মসজিদটির মির্মাণ কাজ শেষ হয়। তখন মসজিদের আয়তন দাঁড়ায় ১ লাখ ১০ হাজার ৪০০ স্কয়ার ফিট।

১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম শাসকরা স্পেনের ক্ষমতা হারালে মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগীর জন্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায় কর্ডোবা মসজিদের দরজা। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের গির্জায় পরিণত হয় মুসলমানদের টানা ৭০০ বছরেরও অধিক সময়ের সিজদার এই পবিত্র ভূমি।

একদিন যে মসজিদ সমগ্র মুসলিম দুনিয়ার সভ্যতা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল, সময়ের ব্যবধানে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগীর জন্য তাতে কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আজ পর্যন্ত সে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

কালজয়ী তাফসির গ্রন্থ তাফসিরে কুরতুবির রয়েছে এ মসজিদের সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক। এ মসজিদেই ইমাম কুরতুবি (রহ.) তার রচিত তাফসির গ্রন্থ তাফসিরে কুরতুবির পাঠদান করতেন।

এখানে বসে দরস দিতেন ইমাম ইবনে আরাবি (রহ.), ইমাম বাকি ইবনে মাখলাদ (রহ.), ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহিয়া আন্দালুসি (রহ.), ইবনে হাজাম জাহেরিসহ (রহ.) অসংখ্য জগদ্বিখ্যাত আলেম ও সুফিরা।

আজও স্পেনের অন্যতম আকর্ষণ হল ঐতিহাসিক কুরতুবা মসজিদ। কুরতুবা মসজিদই স্পেনকে পৃথিবীর অন্যতম দর্শনীয় দেশের মর্যাদায় সমাসীন করে রেখেছে। আজও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে কর্ডোবা পৃথিবীর আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে স্বীকৃত।

ঐতিহাসিক কর্ডোবা মসজিদের প্রতিটি দৃশ্য মুসলিম দুনিয়ার প্রতিটি মানুষের হৃদয় আন্দোলিত করে।

পৃথিবীর সব দেশের সব মুসলমানদের মনের গহীনে লালিত স্বপ্ন- নিশ্চয়ই কোনো না কোনো দিন আবারও কর্ডোবার মসজিদ থেকে ছড়িয়ে পড়বে সুমধুর তৌহিদের বাণী- আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আজান ধ্বনি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ