নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পশ্চিম মিজমিজি এলাকায় ২৬ আগষ্ট রাত আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটে আমিনুল ইসলাম (আনু) এর ছোট ভাই ইব্রাহিম কে রাস্তায় আটকিয়ে, আনু কে মুঠো ফোনে কল দিতে বলে পরে কল পেয়ে আনু সেখানে গেলে (১) রনি,পিতা মুক্তার হোসেন(মতু), (২) মেহেদি হাসান,পিতা মুক্তার হোসেন(মতু) (৩)রউফ,(৪)আরিফ,(চিশতিয়া বেকারীর মালিকের ছেলে)(৫)রাব্বি (টুন্ধা রাব্বি) এর নেতৃত্বে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ জন কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা তাকে দেশীয় অস্ত্র, হকি, জিয়াইপাইপ, চেইন,লাঠি, ছুরি ও অনন্যা,দিয়ে আনুকে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকে এক পর্যায়ে আনু রক্তাক্ত অবস্থয় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ।
অনুর বৃদ্ধো মা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যায় আনুর মাকেও মারধর করে এবং তার গলায় থাকা সর্ণের চেইন ইব্রাহিম ও আনুর দুইটি মোবাইল সেট ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে ভুক্তভুগী ও এলাকাবাসি জানায় । আনু রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন পরবর্তীতে আনুকে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে বাসায় নিয়ে আসে, আনুর এক হাত এক পা ভেঙ্গে গেছে ও সেলাই করতে হয়েছে অনেক জায়গায় শরীরের বিভিন্নঅংশে জখম হয়েছে অনেক রক্ত খনন হয়েছে ডাক্তার বলেছে আনু শঙ্কা মুক্ত না, তাকে দ্রুত উন্নত মনের চিকিৎসা সেবা দিতে হবে ।
এই বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন আনুর পরিবার, সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঘটনার স্থানে তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন । কিন্তু কেনো এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি,আসামি ধরার বিষয় জানতে চাইলে সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল বলেন ওসি সাহেব কে ঘটনা টি জানাইতে হবে তারপরে ওসি সাহেব বললে আসামি ধরবো।