শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

হারাগের মানুষ আইয়ে না! নেই আশানুরূপ আয়

মোঃ ফয়সাল খন্দকার, মতলব (দ;) (চাঁদপুর) / ২৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

কয়েক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদে মুসলমানরা হাজার হাজার গবাদিপশু কোরবানি দেন। কিন্তু প্রতিবারের মতো মতলবের কামারপাড়া সরব হয়ে ওঠেনি।

সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও এই ঈদে কিছু বাড়তি আয়ের আশায় থাকেন কামারেরা। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে এবার দা, চাপাতি ও ছুরির চাহিদা কমে গেছে। এ কারণে এগুলো তৈরির ফরমাশও তেমন আসছে না। আশানুরূপ ক্রেতাদের দেখা না পেয়ে হতাশ কামারেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর ঈদুল আজহার সময় কোরবানির গবাদিপশুর গোসত কাটার জন্য প্রচুর দা, চাপাতি, কুড়াল ও ছুরি প্রয়োজন হয়। এসব তৈরি করতে কামারেরা বছরের এই সময় প্রচন্ড ব্যস্ত থাকেন। অথচ এবার করোনার কারণে মানুষ অনেক কষ্টে আছে। এ কারণে কোরবানির গরু–ছাগলের গোসত কাটার জন্য তাঁরা এসব উপকরণ কিনতে কামারপাড়ায় আসছে না। এ জন্য এখনো জমে ওঠেনি কামারপাড়া।

কোন বিবরণ উপলভ্য নেই।

মতলবের সুভাষ কর্মকার বলেন, লকডাউনে বেচাকেনা কম হারাগের মানুষ আইয়ে না হারাগের মানুষ আইলে বেচাকেনা হইতো লকডাউনে ভয়ে আইয়ে না। বিজয় কর্মকার বলেন, এই পেশায় হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে হয়। তবু যদি আশানুরূপ আয় করতে না পারছি না। আমরা আশায় থাকি কোরবানির ঈদে বাড়তি আয় করব। কিন্তু এবার আর সে আশা মনে হয় পূরণ হবে না।

বলরাম কর্মকার বলেন, কাস্টমার নাই লকডাউননে অনেকে তো কোরবানিই দিতো না , কোরবানির ঈদ আসলেই আমাদের কাজের চাপ বেড়ে যায়। তবে করোনার কারণে প্রতিবারের চেয়ে এ বছর কাজের চাপ অনেক কম। আগে খুব সকালে দোকানে আসতাম আর বাড়ি যেতাম গভীর রাতে। এখন কাজের চাপ কম থাকায় তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যাই। এ সময়ে কামার শিল্পীদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার দাবি জানান তারা।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ