রোববার স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস। নানা আয়োজনে নবমবারের মতো পালিত হবে দিবসটি।
২০১৩ সালে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনগুলো বেসরকারিভাবে ১০ অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালন শুরু করে।
ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে সবাই একযোগে এই দিনে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ শুরু থেকেই দেশের নারীসমাজ ও গণমাধ্যমের কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা পেয়ে আসছে।
প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে এইদিনে বিস্তৃত কর্মসূচি নেয়া হয়, বছরজুড়ে তা নিয়ে নানা আয়োজন চলতে থাকে।
আন্তর্জাতিক সংস্থার দেয়া অনুমিত হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর তের হাজার নারী নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। মারা যায় সাড়ে ছয় হাজারের বেশি। নারীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন এই ক্যান্সারে।
এ বছরের প্রতিপাদ্য “স্ক্রিনিং জীবন বাঁচায়”। আমাদের পর্যবেক্ষণ মতে, এখন সময় হয়েছে সচেতনতার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ নারীদেরকে লক্ষণ না থাকলেও স্ক্রিনিং, অর্থাৎ কিছু সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে গোপন থাকা স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে উদ্বুদ্ধ করা।
১৭টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের সাথে রোটারি জেলা ৩২৮১ এর ৪০টি ক্লাব যৌথভাবে দিবসটি উদযাপন ও মাসব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চিকিৎসক দিয়ে ফ্রি প্রাথমিক পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ম্যামোগ্রামসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সবার জন্য অর্ধেক খরচে ও অস্বচ্ছল নারীদের জন্য বিনামূল্যে করানোর ব্যবস্থা থাকছে এই কর্মসূচিতে
রোববার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ এর পশ্চিম প্রান্তে আড়ং এর সামনে প্রতীকী গোলাপি শোভাযাত্রা ও তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।
সকাল ১১টায় মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ও ফ্রি স্ক্রিনিং উদ্বোধন হবে লালমাটিয়াস্থ কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টারে।
বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের উদ্যোক্তা ও প্রধান সমন্বয়কারী ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন মূল বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক ডা. লতিফা শামসুদ্দিন, অধ্যাপক সাবেরা খাতুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ঢাকার বাইরে রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঝিনাইদহ, বগুড়া, শেরপুর, জামালপুর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন।