গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান জানান, পানিবন্দি মানুষকে সহযোগিতার জন্য সরকারি সহযোগিতা পাওয়া গেছে। এগুলো তাদের পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
এদিকে, পাহাড়ী ঢলে জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় রাংপানি, বড়গাঙ ও সারি নদীর পানি উপচে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের চাল্লাইন, গর্দনা, মুটগুঞ্জা, ফেনগ্রাম, জৈন্তাপুর ইউনিয়নের শেওলারটুক, বাওন হাওর, ঝিঙ্গাবাড়ি, আসামপাড়া, কেন্দ্রি, কাঠালবাড়ি, নলজুড়ি ইউনিয়নের ল²ীপুর, ভিরাইমারা, কাটাখাল, কেন্দ্রি, মুক্তাপুর, নিজপাট ইউনিয়নের হর্ণি, বাইরাখেল, চারিকাটা ইউনিয়নের বালিগাড়া, আইঞ্জাগ্রাম, লালা, গৌরি, ডুবাং এলাকার বিস্তৃর্ণ এলাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এখনো সিলেটের সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে উজানে ভারতের পাহাড়ী এলাকায় বৃষ্টিপাত হওয়ায় ঢলে সিলেটের নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত না হলে কয়েকদিনের মধ্যে পানি নেমে যাবে।







