শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

শাপলা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের, হেফাজত–মোদি বিক্ষোভে শহীদ পরিবারকে অনুদান

দর্পণ ডেস্ক / ৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

পাবলিক স্পেসে ২০১৩ সালের হেফাজতের বিক্ষোভ ও পরে মোদি বিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে হেফাজত ইসলামের মহাসমাবেশ ও মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০১৩ সালের ঘটনাগুলোতে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের স্মরণে মন্ডিত একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ওই আন্দোলনের ইতিহাস জানতে পারে এবং তা স্মরণে রাখে। তিনি বলেন, “সেদিন সরকারি পদক্ষেপে অনেকে নিহত হলেও জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন কখনই স্থায়ীভাবে দমন করা যায় না।”

অনুষ্ঠানে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ও পরে ২০২১ সালের মোদি বিরোধী বিক্ষোভে নিহতদের পরিবারের হাতে প্রতি পরিবারে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। ওই হত্যা ও বিক্ষোভে মোট কয়েকশ’ জন নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেন, ২০১৩ সালের ঘটনাগুলো ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়; তিনি হেফাজত নেতাদের শহীদ ও আহতদের তালিকা তৈরি করে তা প্রামাণ্য করার আহ্বান জানান এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় এই কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে বলেও আশ্বাস দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী বক্তব্য উদ্ধৃত করে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে ওই সময় পুলিশের, র‌্যাব ও বিজিবির ব্যাবহারে ব্যাপক তর্কাবধান ছিল এবং অনেক গুলির ব্যবহার করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে হেফাজত ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব মাওলানা মাজেদুর রহমানসহ several ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন; অনুষ্ঠান সভাপতি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকসুদ জাহিদী।

উপস্থিতদের মধ্যে থেকে প্রাপক শহীদ পরিবার ও নেতারা স্থানীয় সরকার উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শহীদ স্মরণ ও তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ উদ্যোগকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মহাসমাবেশের আয়োজকরা বলেছেন, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ও শহীদ তালিকার প্রমাণিকরণ কর্মকাণ্ড শুরু হলে তা ঐতিহাসিক নথি ও ক্ষতচিহ্ন হিসেবে দেশের গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপট সংরক্ষিত থাকবে—এবং ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে তা প্রেরণার উৎস হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ