শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ব্রিটিশ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে: ড. ইউনূস

দর্পণ ডেস্ক / ৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫

যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া বাংলাদেশি অর্থ উদ্ধার করতে ব্রিটিশ আইনজীবী নিয়োগ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকার সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “এই বিষয়ে তারা যে দ্রুততা দেখিয়েছে, আমি তার জন্য অনেক প্রশংসা করি।” তিনি আরও জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ব্রিটিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ইতিবাচক গতি এসেছে।

বিবিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ধারণা করছে, হাসিনা সরকারের সময়ে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৭৪ বিলিয়ন পাউন্ড) বিদেশে পাচার হয়েছে। এই অর্থের বড় একটি অংশ যুক্তরাজ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছে কিংবা খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ।

 

এই অভিযোগ তদন্তে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ সমন্বয় কেন্দ্র (International Centre for the Coordination of the Fight Against Corruption – ICCFC) কাজ শুরু করেছে। লন্ডনে যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থা (NCA) এই কার্যক্রমে অংশ নিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও এনসিএ মুখপাত্র জানিয়েছেন, “আমরা তদন্তের বিষয়বস্তু নিয়ে নিয়মিতভাবে মন্তব্য করি না।”

লন্ডনে অবস্থানকালে অধ্যাপক ইউনূস বাকিংহাম প্যালেসে ব্রিটেনের রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়া তিনি বাণিজ্য সচিব জনাথন রেনল্ডসের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠক নিয়ে রেনল্ডস এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বলেন, “আমরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যৌথ সমৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছি।”

তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, “আমি জানি না আমার হতাশ হওয়া উচিত, না দুঃখিত হওয়া উচিত। এটি একটি হারানো সুযোগ।” উল্লেখযোগ্য যে, কিয়ার স্টারমার টিউলিপ সিদ্দিকের প্রতিবেশী ও রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ। টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি।

বৈঠক না হওয়ার কারণ সম্পর্কে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা এখনো কোনো ব্যাখ্যা পাইনি। সম্ভবত তিনি অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত ছিলেন।”

অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সমন্বয়, চলমান রয়েছে। ব্রিটিশ আইনজীবীর মাধ্যমে এই আইনি প্রচেষ্টা এক নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ