তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। একাত্তর আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছে, মর্যাদা দিয়েছে। জনগোষ্ঠীই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে একান্ত ছিলেন। তবে যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, যুদ্ধ সংঘটিত করেছেন, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন তারা সূচনাতেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জনগণের কাছে সম্মানিত এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত। মুক্তিযোদ্ধাদারা জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের অবদান শেষ হবার নয়।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকার অনেক উদ্যেগ নিয়েছে। যার ফলে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা, সন্তান ও নাতীদের চাকরিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন – মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজী শরীফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মোজাম্মল হকের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন – মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহন কামাল, উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কামন্ডের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সম্মেলন ও প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মিয়া মো. জাহাঙ্গীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম লস্কর, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, ছেংগারচর পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ছাত্তার প্রমুখ।