শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

মতলব উত্তরে ভরা মৌসুমে মাছের খরা

সুমন আহম্মেদ, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) / ২৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেঘনা নদী ও মেঘনা ধনাগোধা শাখা নদীতে এখন মাছের ভরা মৌসুম হলেও মাছ নেই। ভরা মৌসুমেও মেঘনায় যেন মাছের খরা চলছে। আগে যে পরিমান মাছ জালে ধরা পড়তো এখন তার সামান্যতম পরিমাণও ধরা পড়ে না।


কয়েকবছর আগেও পাঁচ-সাতজন জেলে নৌকাপ্রতি তিন-চার হাজার টাকার মাছ ধরতো। এখন জেলেরা সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত টানাজাল,খরা জাল, বেড়জাল পানিতে ফেলে দেড়-দুই হাজার টাকার মাছও পায় না। এখন মেঘনা নদী ও মেঘনা ধনাগোধা নদীর মাছ দিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ করানো অনেক জেলের জন্য এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত জেলেরা নদীতে জাল ফেলতেই থাকে কিন্তু আশানুরূপ মাছ জালে ধরা পড়ে না।

উপজেলার প্রায় ৬ হাজার জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে। তাদের পেশা নদীতে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করা। আর তারা সবাই এই মেঘনা নদীতেই মাছ ধরে। কিন্তু এখন নদীতে মাছ ধরে পরিবারের ভরণ-পোষণ করা যেন অসম্ভব হয়ে পরেছে।


উপজেলার দশআনী গ্রামের জেলে আলাউদ্দিন বেপারী বলেন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে মেঘনা নদীতে মাছ ধর আসছি। কিন্তু এখন আার আগের মতো মাছ পাইনা। বাপ-দাদার পেশা ছাড়তেও পারি না! বাঁচাও কষ্টের।

আরেক জেলে বাদশা মিয়া বলেন, আগে বর্ষার সময় সন্ধ্যা রাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদীতে জাল বাইস করলে নৌকায় বোয়াল, চিতল, কালি বাউস,গাউড়া, পুটি, বাইল্লা,  চিতলসহ আরো অনেক জাতের মাছে ভইরা যাইতো। কিন্তু এখন সারারাত নদীতে জাল বাইস কইরাও  শুধু  কাজলি, বাছা আর গুইড়া ইছা ছাড়া আর কিছুই ধরা পড়ে না।

মেঘনা নদীতে মাছ ধরে মাছের আড়তে বিক্রি করেন নুরুল হক ও জুয়েল। তারা জানান, আগে নদীতে থেকে মাছ ধরে মতলবের বিভিন্ন আড়তে এক-দুই মণ মাছ বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন সারারাত মাছ ধরে ৫-৬  কেজিও বিক্রি করতে পারি না। তবে আগে মাছ বেশি ধরলেও তেমন দাম পেতাম না। কিন্তু এখন মাছের দাম ভাল হওয়াতে কম ধরলেও কিছুটা পুষে যায়।

 মাছ বিক্রেতা আল আমিন বলেন, মাছ পানিতে থাকবো কিভাবে। নদীতে, বিলে, হাওরে পানিতে কোন মাছ ছাড়া হয় না। আর কারেন্ট জালের কারণে ছোট থাকতেই মাছগুলো ধরা পরে। তাই দিনে দিনে দেশিয় মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ভাল মাছ কিনতে পারি না। তাই ক্রেতাদের কাছেও বিক্রি করতে পারি না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য  কর্মকর্তা  মনোয়ারা বেগম জানান, কিছু অসাধু জেলে আছে যারা অবাধে খরা জালসহ বিভিন্ন জাল দিয়ে  মাছ নিধন করে। সময় না বুঝে ডিমওয়ালা মাছ ও ছোট মাছ নিধন করার কারণেই নদীতে মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তাছাড়া দিন দিন নদী ও খালগুলো অবাধে ভরাট করা হচ্ছে। আমরা মৎস্য অধিদফতরের আওতায় প্রতি বছরই নদীতে ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ বৃদ্ধির জন্য পোনা অবমুক্ত করে থাকি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ