শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন

মতলব উত্তরে আখের বাম্পার ফলন

সুমন আহম্মেদ, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) / ২৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এ মৌসুমে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে হাসি ফুটে উঠেছে কৃষকের মুখে। দামও ভালো। কৃষকরা নায্যমূল্য পেয়ে দারুণ খুশি। চাঁদপুর গেন্ডারির খ্যাতি দেশজুড়ে রয়েছে। তাই ঢাকাসহ বিভিন্ন শহর থেকে আখ ব্যবসায়ীরা ভিড় করছে।
মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ভেতরে প্রায় ২শ’ ২০ হেক্টর উঁচু জমিতে দেশি ও উন্নত জাত মিলিয়ে ৬ জাতের আখ চাষ হয়েছে। সেচ প্রকল্পের উঁচু জমিগুলো পলি ও দোঁ-আশ মাটির পরিমাণ বেশি থাকায় আখের ফলন সবসময় ভালো হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নায্যমূল্য পেয়ে কৃষকরা একদিকে যেমন খুশি তেমনি আখ চাষের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন জানান, এ বছর ৬ টি জাতের আখের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম স্থানীয় চাঁদপুর গেন্ডারী-১০০, মিশ্রিমালা, অমৃত, ঈশ্বরদী-১ ও ঈশ্বরদী-২ জাত। আখের চারা রোপণ থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত ৬-৮ মাস সময় লাগে।
তিনি আরো জানান, এ বছর সময়মত বৃষ্টিপাত ও সেচ প্রকল্পের পানি যথা সময় পাওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় আখের ফলন ভালো হয়েছে। বিভিন্ন রোগবালাই থেকে কৃষকরা যেন তাদের ফসল বাঁচাতে পারে সেজন্য যথা সময়ে কৃষি অফিসের মাধ্যমে সঠিক পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।
মতলব উত্তরের কলাকান্দা, জোড়খালি, হানিরপাড়, গজরা, বেগমপুর, নান্দুরকান্দি, ছোট হলদিয়া, বড় হলদিয়া, সরদারকান্দি, হাজীপুর, রাঢ়ীকান্দি, ওটারচর, নিশ্চিন্তপুরসহ ক’টি এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা এখন আখ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এমনকি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আখ ব্যবসায়ীরা এসে মিনি ট্রাক ও ট্রলার যোগে আখ নিয়ে যাচ্ছে।
ঢাকা থেকে আসা ব্যবসায়ী শাহেন শাহ বলেন, এ অঞ্চলের আখ খুব মিষ্টি। ঢাকায় মতলবের আখের খুব চাহিদা। তাই প্রতি বছর আমি এ অঞ্চলে আখ কিনতে আসি। প্রতিটি আখ পাইকারি ১৬-১৮ টাকা করে ক্রয় করি। ঢাকায় এনে তা’ পাইকারি ২০-২২ টাকা বিক্রি করি।’
ঠাকুরচর গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম মুফতি বলেন, এবার আমি ২০ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। ফলন ভাল হয়েছে। বাজারে প্রতিটি আখ খুচরা ২৫-৩০ টাকা করে বিক্রি করি। খরচ উঠিয়ে আমার প্রায় দ্বিগুণ লাভ হবে বলে আশা করছি। কৃষক আবুল হোসেন বলেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার আখের ফলন ভাল হয়েছে। দামও ভাল। আশা করছি ভালই লাভ হবে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারগুলো খুচরা আখ ব্যবসায়ীদের বেচা-কিনি শুরু করেছে। প্রচন্ড গরমে রসালো এ ফল পেয়ে ক্রেতারা আখের দোকানগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে। লোকজন আত্মীয়ের বাড়ি বা নিজের বাড়িতে আখ কিনে নেওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ছে অহরহ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ