শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

ব্যাংকিং, রাজস্ব খাত সংস্কারে সহায়তা করবে যুক্তরাজ্য: অর্থ উপদেষ্টা

বাণিজ্যক ডেস্ক / ৯৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

যুক্তরাজ্যের পুঁজিবাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশকে তার ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাত সংস্কারে সহায়তা করতে তাদের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আজ (২৭ আগস্ট) মঙ্গলবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ব্যাংকিং, রাজস্ব ও পুঁজিবাজারের মতো সংস্কার খাতে সহায়তা করতে ইচ্ছুক।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এগুলো আমাদের জন্যও খুব উদ্বেগের বিষয়। কারণ, যদি আমরা সংস্কারগুলো না করি তাহলে আমাদের জন্য কাজ করা কঠিন হবে। আমরা চাই ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি হোক। যুক্তরাজ্য সরকার অতীতে খুবই সহায়ক ছিল। আমি আশা করি আগামী দিনেও তারা সহায়ক হবে। আমরা তাদের সাহায্য ও সহযোগিতার অপেক্ষায় আছি।

ড. সালেহউদ্দিন উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে। আমরা সেগুলোও চালিয়ে যাব। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটেনের বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগ করেছে।

উপদেষ্টা বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশকে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে হবে। এর জন্য শর্ত হলো ব্যবসার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, ব্যবসা সহজ করতে হবে অর্থাৎ আমাদের ব্যবসা করার পরিবেশ ঠিক করতে হবে, অন্যথায় বেসরকারি খাত আসবে না।

আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে উল্লেখ করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক প্রসারিত করতে খুবই আগ্রহী।

তিনি বলেন, আমরা আলোচনা করেছি যে কীভাবে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারকে সমর্থন করতে পারে এবং কীভাবে আমরা যৌথভাবে আমাদের বিশেষজ্ঞদের অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত করতে কাজ করতে পারি। কিভাবে আমরা দুই দেশের মধ্যে আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে পারি।

যুক্তরাজ্য থেকে আরও এফডিআই আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে। আমাদের একটি খুব শক্তিশালী এবং বিনিয়োগের পরিবেশ রয়েছে। অবশ্যই আমরা বাংলাদেশে আরও এফডিআই দেখতে চাই।

দূত বলেন, ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিতভাবে দায়িত্বশীল বিনিয়োগকারী। আমি উপদেষ্টার সাথে আলোচনা করেছি কিভাবে আমরা বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করতে পারি এবং আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে পারি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ