বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেট অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জেলায় আগের মতো চারটি আসন বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
গত ৪ সেপ্টেম্বর ইসি চূড়ান্ত গেজেটে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার সিদ্ধান্ত দেয়। গেজেট অনুযায়ী বাগেরহাট সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট নিয়ে বাগেরহাট-১; ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-২; এবং কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ আসন গঠিত হয়।
এর আগে বাগেরহাট-১ ছিল চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট; বাগেরহাট-২ ছিল বাগেরহাট সদর-কচুয়া; বাগেরহাট-৩ ছিল রামপাল-মোংলা; এবং বাগেরহাট-৪ ছিল মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা।
ইসির ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দুটি রিট দায়ের করা হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল, চারটি আসন কেন বহাল করা হবে না এবং একটি আসন কমানোর গেজেট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।
সংশ্লিষ্টদের জবাবের পর সোমবার রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্তভাবে রায় ঘোষণা করে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার নির্দেশ দেয়।