সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার তিন সরকারি কৌঁসুলির (পিপি প্যানেলভুক্ত) নিয়োগ বাতিল করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জারি করা পৃথক আদেশে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রথম প্রজ্ঞাপনে সুনামগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মদ আমিরুল হকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
অন্য প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দুই সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়। তারা ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা স্মারকের মাধ্যমে ওই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
সর্বশেষ আদেশ অনুযায়ী, পূর্বে জারি করা নিয়োগসংক্রান্ত স্মারক বাতিল করে সংশ্লিষ্ট তিন আইনজীবীর নিয়োগ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত আদেশে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ বাতিলের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, জেলা ও দায়রা জজ, সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল ও আদালত, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি কৌঁসুলি প্যানেলে নিয়োগ ও নিয়োগ প্রত্যাহার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে শূন্য হওয়া পদে পরবর্তীতে নতুন নিয়োগ বা দায়িত্ব অর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।