৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অসচ্ছ উল্লেখ করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং মেধার ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ৪৬৫ জন প্রার্থীর করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি সুসান্ত শেখর ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল না এবং প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ না করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
রিটকারীদের আইনজীবী জানান, যারা ইতোমধ্যে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের বিষয়ে রিটে কোনো আবেদন করা হয়নি এবং হাইকোর্টও এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেননি।
এর আগে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার ফলাফল বাতিল, নন-ক্যাডার মেধা তালিকা প্রকাশ এবং ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগে ৪৩তম বিসিএস থেকে শূন্য পদে সুপারিশ অব্যাহত রাখার দাবিতে রিট আবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় ৯ হাজার ৮৪১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নন-ক্যাডার পদে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে পছন্দক্রম আহ্বান করে পিএসসি।
পরে ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৬৩ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ৬৪২ জনকে সুপারিশ করা হয়। তবে নন-ক্যাডার মেধা তালিকা প্রকাশ না করায় তা ‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০১০’ এবং সংশোধিত ‘বিধিমালা ২০১৪’-এর পরিপন্থী বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।