ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গাড়ি চলছে স্বাভাবিক গতিতে। শুক্রবার সকাল থেকেই মহাসড়কে গাড়ির চাপ দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপ আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে মহা সড়কে দায়িত্বরত পুলিশ।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গোড়াই থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়কে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৮১০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল বলেন, “এই মহাসড়কে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন। আর এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেন সড়ক রয়েছে। যার কারণে পূর্বের দিনগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হত। কিন্তু এবার প্রশাসন এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটর সড়ক একমুখী করে দিয়েছে। যার জন্য টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের যানবাহনগুলো একমুখী হয়ে যাচ্ছে এবং বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকার দিকে যে যানবাহন সেগুলো ভুয়াপুর হয়ে এই এলাকায় এসে মিলিত হচ্ছে।” এ জন্য গাড়ির চাপ থাকলেও জট লাগেনি বলে জানান তিনি।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নুরেআলম মিনা। তিনি শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসনে এবং ঈদেযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশ ইতোমধ্যেই নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।”
তিনি বলেন, “বিগত একমাস ধরে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে এবার মহাসড়কে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সাভার ও আশুলিয়াতে গাড়ির চাপ একটু বেশি থাকলেও অন্য এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। কোথাও গাড়ির চাকা থেমে নেই। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ফ্লাইওভার ও বাইপাসগুলো ইতোমধ্যেই খুলে দেয়ায় এবং বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যই আজকে মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বত্বিতে বাড়ি যেতে পারছে।”
এসময় ডিআইজি নুরেআলম মিনা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।