ফরিদগঞ্জে চলতি মৌসুমে পানের মশলা জাতীয় ফল সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। চাষী ও সুপারি ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বসে সুপারির হাট । ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারনায় হাট জমে উঠেছে। মান ভেদে প্রতি (৮০টি সুপারি),১পন সুপারি বিক্রি হচ্ছে ১০০থেকে১৩০টাকা ধরে। খুচরা বাজারে দাম আরো বেশী।ক্রয় করা সুপারি গুলো চালান হচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়। উপজেলার বেশীরভাগ বাড়ির পাশের আঙ্গীনায় সুপারি গাছ আছে। অনেক চাষীদের রয়েছে সুপারির বাগান।
অর্থকরী ফসল কে ঘিরে এই উপজেলায় দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক অপার সম্ভাবনা। সুপারির মৌসম শুরু হয় কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে। মূলত কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে সুপারির ভরা মৌসুম।এবছর সময়ের আগেই বাজারে এসেছে সুপারি আশ্বিন মাসের শেষের দিকে বাজারে সুপারি আসতে শুরু করে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কৃষকরা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সুপারির বাগান করেছেন। সুপারি চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশী ।এক বার গাছ লাগালে আর তেমন কোন পরিচর্যার দরকার হয় না। একবার ফলন দেওয়া শুরু করলে কয়েক যুগ ফলন দিয়ে থাকে। এবছর বাম্পার ফলন হয়েছে। ব
র্তমানে গাছ থেকে সুপারি পাড়া চলছে। এখানকার প্রতিটা বিয়ে-শাদী মেজবানি ছোটখাটো নানা অনুষ্ঠান এমনকি বাড়ীতে মেহমান আসলে পান সুপারি আপ্পায়ন ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। পান সুপারি নিয়ে অনেক গানও গেয়েছেন অনেকে, পান খেয়ে যাও চোকরা বন্ধুরে আমি রং সেজেছি/যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম মজা করি পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম/পান খাইয়া ঠোঁট লাল করিলাম বন্ধু তোর ভাগ্য হইল না।পানের মসলা হিসাবে সুপারির চাহিদা ব্যাপক । সুপারি ছাড়া পান বিক্রি হয়না। সেই কারনে সুপারি বিক্রিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না । বাজারে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।