চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আখের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক এবার আখ চাষে বেশি লাভবান হতে পারবেন বলে আশা করছেন।
জুলাই মাসের শেষের থেকে গেণ্ডারি’ নামের আখ খুচরা ও পাইকারি বিক্রি শুরু হয়েছে। পাইকারি ও খুচরা বিক্রি চলবে আগামী তিন-চার মাস। ফরিদগঞ্জ উপজেলার উপাদিক গ্রামের কৃষক শাহজাহান ও বালীথুবা গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, জমিতে আলু থাকায় অবস্থায় আখ লাগান তারা।
এ বছর আখের ভালো ফলন হয়েছে। তবে ফরিদগঞ্জে গেণ্ডারি নামের আখই বেশি চাষ হয়েছে। এরই মধ্যে গ্রামগঞ্জের বাজারে খুচরা বিক্রি শুরু হয়েছে এ আখ। ছোট-বড় সাইজের প্রতি পিস আখ বাজারে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত খুচরা বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রি হয় পুরো জমি কিংবা ১০০ আখ একসঙ্গে দরদাম করে। আখও অনেক লম্বা হয়েছে। গেল মাস থেকে বিক্রি শুরু করেছেন।
বালীথুবা এলাকার কৃষক ইউনুস হাজী জানান, তিনি এ বছর আলু আবাদ করে অনেক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে রয়েছেন। এখনও সার-বীজের দোকানে বকেয়া রয়েছে। আলুর জমিতে আখ চাষ করেছেন তিনি। ফলনও ভালো হয়েছে। তার জমিতে দুই জাতের আখ রয়েছে। একটি চাঁদপুর গেণ্ডারি; অন্যটি অমিতা (স্থানীয় নাম)। কিছুদিন সময় নিয়ে পর্যায়ক্রমে বিক্রি করবেন। এতে তিনি ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছেন।
ইউনুস হাজী জানান, ফরিদগঞ্জে আখ বেশিরভাগ নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর , রামগঞ্জ ও ঢাকায় বিক্রি হয়। নদী ও সড়কপথে এসব এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় বহু বছর ধরে ওইসব এলাকার ব্যবসায়ীরা জমি থেকেই আখ ক্রয় করে নিয়ে যান। আখ ব্যবসায়ী আবু তাহের বলেন ,এ বছর আমরা প্রতি একশত পিচ আখ সর্বনিম্ন একহাজার থেকে সর্বোচ্চ ১হাজার ৬শত টাকা পর্যন্ত ক্রয় করিতেছি। এ বছর আখের ভালো ফলন হওয়ায় আগামীতে আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি