এর আগে সিআইডির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান প্রথম আলোকে জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীর, পরীমনি, রাজ, ফারিয়া ও মরিয়ম সিআইডি হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা পৃথক সাতটি মামলা তদন্ত করছে সিআইডি। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) আসামি ও মামলার নথিপত্র সিআইডির কাছে হস্তান্তর করে ।
গত ২৯ জুলাই মধ্যরাতে হেলেনা জাহাঙ্গীরের গুলশানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে র্যাব। ওই দিন প্রায় সোয়া চার ঘণ্টার অভিযানে ওই বাসা থেকে বিদেশি মদ, বিদেশি মুদ্রা, হরিণ ও ক্যাঙারুর চামড়া, ক্যাসিনোর সরঞ্জাম ও ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়। হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন আইনে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা করা হয়েছে
হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তারের পর গত রোববার রাজধানীর বারিধারা ও মোহাম্মদপুর থেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার হন কথিত মডেল ফারিয়া ও মরিয়ম। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি। ফারিয়া ও মরিয়মকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে মাদক, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন শরফুল হাসান ও মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসান।
এদিকে গত বুধবার রাতে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসা থেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার হন পরীমনি। একই দিন বনানীর নিজ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার হন প্রযোজক রাজ।







