শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন

নাকানো-ইমরানের দুই শিশু থাকবে বাবার জিম্মায়

আশেক এলাহী / ২৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

বাংলাদেশের হাই কোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছে,  বর্তমানে ঢাকায় থাকা দুই মেয়ে তাদের বাবা ইমরান শরীফের কাছেই থাকবে। তবে মা সন্তানদের সাথে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

যেহেতু মা জাপানি নাগরিক এবং সেখানে বসবাস ও চাকরি করেন, সে কারণে তিনি তার সুবিধামত সময়ে বাংলাদেশে এসে সন্তানদের সাথে প্রতিবার কমপক্ষে দশ দিন একান্তে সময় কাটাতে পারবেন। এক্ষেত্রে বছরে তিনবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়াসহ দশদিন অবস্থানের যাবতীয় খরচ ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে। অতিরিক্ত সময়ে যাওয়া-আসা বা বাংলাদেশে অবস্থানের খরচ মাকেই বহন করতে হবে।

বাবা ইমরান শরীফ মাসে অন্তত দুইবার ছুটির দিন শিশু সন্তানদের সাথে মাকে ভিডিও কলে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবেন।

আর জাপানে মায়ের হেফাজতে থাকা ছোট মেয়ের নিরাপদ অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চেয়ে ইমরান শরীফ যে রিট আবেদন করেছিলেন, তা সরাসরি খারিজ করেছে হাই কোর্ট।

সন্তানদের কাছে পাওয়ার আশা নিয়ে এ দেশে আসা নাকানো এরিকোর গত কয়েক মাস বাংলাদেশে অবস্থান ও যাতায়াত খরচ বাবদ তাকে সাত দিনের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাবা ও মায়ের দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ রায় দেয়।

বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক ইনায়েতুর রহিম বলেন, বর্তমান রিটিটি চলমান থাকবে।  কোনো পক্ষ যদি আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করে তাহলে অন্য পক্ষ আদলতে আসতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট সমাজ সেবা কর্মকর্তা শিশুদের বিষয়ে দেখভাল অব্যাহত রাখবেন। প্রতি তিন মাস পরপর শিশুদের বিষয়ে হাই কোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন দেবেন তিনি।

আদালতে শিশুদের মা নাকানো এরিকোর রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর বাবা ইমরান শরীফের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

রায়ের পর ফাওজিয়া করিম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যে শিশু অধিকারের কথা বলি, এই রায়টা হচ্ছে শিশু অধিকারের বড় উদাহরণ। এই রায়ে বাচ্চাদের জয় হয়েছে।”

আর নাকানো এরিকোর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, “লিখিত রায় বের হলে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। মামলাটি যেহেতু চলমান রাখা হয়েছে, তাই উভয় পক্ষেরই আদালতে আসার সুযোগ রয়েছে।”

বাংলাদেশের হাই কোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছে,  বর্তমানে ঢাকায় থাকা দুই মেয়ে তাদের বাবা ইমরান শরীফের কাছেই থাকবে। তবে মা সন্তানদের সাথে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

যেহেতু মা জাপানি নাগরিক এবং সেখানে বসবাস ও চাকরি করেন, সে কারণে তিনি তার সুবিধামত সময়ে বাংলাদেশে এসে সন্তানদের সাথে প্রতিবার কমপক্ষে দশ দিন একান্তে সময় কাটাতে পারবেন। এক্ষেত্রে বছরে তিনবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়াসহ দশদিন অবস্থানের যাবতীয় খরচ ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে। অতিরিক্ত সময়ে যাওয়া-আসা বা বাংলাদেশে অবস্থানের খরচ মাকেই বহন করতে হবে।

বাবা ইমরান শরীফ মাসে অন্তত দুইবার ছুটির দিন শিশু সন্তানদের সাথে মাকে ভিডিও কলে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবেন।

আর জাপানে মায়ের হেফাজতে থাকা ছোট মেয়ের নিরাপদ অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চেয়ে ইমরান শরীফ যে রিট আবেদন করেছিলেন, তা সরাসরি খারিজ করেছে হাই কোর্ট।

সন্তানদের কাছে পাওয়ার আশা নিয়ে এ দেশে আসা নাকানো এরিকোর গত কয়েক মাস বাংলাদেশে অবস্থান ও যাতায়াত খরচ বাবদ তাকে সাত দিনের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাবা ও মায়ের দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ রায় দেয়।

বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক ইনায়েতুর রহিম বলেন, বর্তমান রিটিটি চলমান থাকবে।  কোনো পক্ষ যদি আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করে তাহলে অন্য পক্ষ আদলতে আসতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট সমাজ সেবা কর্মকর্তা শিশুদের বিষয়ে দেখভাল অব্যাহত রাখবেন। প্রতি তিন মাস পরপর শিশুদের বিষয়ে হাই কোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন দেবেন তিনি।

 

আদালতে শিশুদের মা নাকানো এরিকোর রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর বাবা ইমরান শরীফের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

রায়ের পর ফাওজিয়া করিম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যে শিশু অধিকারের কথা বলি, এই রায়টা হচ্ছে শিশু অধিকারের বড় উদাহরণ। এই রায়ে বাচ্চাদের জয় হয়েছে।”

আর নাকানো এরিকোর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, “লিখিত রায় বের হলে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। মামলাটি যেহেতু চলমান রাখা হয়েছে, তাই উভয় পক্ষেরই আদালতে আসার সুযোগ রয়েছে।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ