শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

চার মামলায় খালাস শিশুবক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪

তেজগাঁও, মতিঝিল, পল্টন ও গাজীপুরের গাছা থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা পৃথক চার মামলায় খালাস পেয়েছেন আলোচিত ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী।

আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরে আলম এসব মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায় থেকে তাকে খালাস দেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ মামলায় সাক্ষীরা আদালতে ঘটনার বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি। শুধুমাত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের সাক্ষী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এসব মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে বিচারক তাকে মামলার দায় থেকে খালাস দিয়েছেন।

২০২১ সালের ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার বাড়ি থেকে রফিকুল মাদানীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর গাছা থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে তেজগাঁও, মতিঝিল ও পল্টন থানায় আরো তিনটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক মিথ্যা বক্তব্য দেয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।

পরে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করে গত বছরের ৪ নভেম্বর জামিনে কারামুক্ত হন।

রফিকুল মাদানীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী প্রপাগান্ডা ছড়ানো, হুমকি দেওয়া ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, অপমানকর তথ্য প্রকাশ ও সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ