চাঁদপুরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকটে গ্রাহকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গত কয়েকদিন ধরেই।
১০হাজার টাকার বেশি উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি গত কয়েকদিন যাবৎ। তবে গত দু’দিন যাবৎ ১০হাজার টাকাও উত্তোলন সম্ভব হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রাহাকরা ভোগান্তিতে পড়ে।
গতকাল ২৬সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) চাঁদপুর বাস স্ট্যান্ড শাখায় অবস্থিত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মোঃ পাবেল জানান, চাঁদপুরে ৫৬কোটি টাকা ইনভেস্টমেন্ট করা আছে অর্থাৎ ঋন দেওয়া হয়েছে।
পূর্বে কখনোই তাদের এই সমস্যায় পড়তে হয়নি। বেশ ভালো সেবা দিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু দায় বাঁজে গত ৪ ও ৫আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে চাঁদপুরে ভয়াবহ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সেই প্রেক্ষিতে চাঁদপুর বাস স্ট্যান্ড ফয়সাল মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের শাখাটি বাস স্ট্যান্ডের মূল ফটকে হওয়াতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বেশ ঝড় ঝাপটা কাটাতে হয়েছে এই ব্যাংকটির।
যেহেতু আন্দোলন একটি জাতীয় ইস্যুতে রূপ নিয়েছে সেহেতু ভাঙচুর হয়েছে সারাদেশেই। চাঁদপুরেও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি। সমস্ত ইট পাটকেলের আঘাত সহ্য করতে হয়েছে এই সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের শাখাটি’র।
এরপর দীর্ঘ আন্দোলন শেষে অফিস আদালত খোলার পর পরই সাধারণ গ্রাহকরা ভেবে নিয়েছেন যে এই ব্যাংকের শাখা হয়তো টাকা পয়সা নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে পারে বা অর্থ সংকট হতে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাহকরা এসে যার যার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যেতে শুরু করেন।
এদিকে ৫৬কোটি টাকা ইনভেস্টমেন্ট করা আছে মাঠে। এর কারণে ব্যাংকটি বর্তমান তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহকরা অর্থ সংকটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কয়েকটা দিন।
তবে, কতৃপক্ষ জানিয়েছেন-বেশিদিন থাকবেনা এই সংকট। খুব শীঘ্রই কাটিয়ে উঠতে পারবে তারা। সমস্যা সমাধানের ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।
তবে তারা জানান, একটা আতংক সৃষ্টির কারণে এই সমস্যা হয়েছে। তবে আগামী ১৫দিনের মধ্যেই হয়তো গ্রাহক সেবায় ফিরতে সক্ষম হবে তারা। সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তারা আরো জানান, আগে তারল্য সংকট দেখা দিলে সংকট নিরসনে টাকা ছাপিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা ছিল কিন্তু নতুন ফর্মুলায় এখন সেটা দেয়না।
তবে এই সমস্যার জন্য চাঁদপুর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ মাহবুব আলম গ্রাহকদেরকে চিন্তিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
অচিরেই সমাধান মিলবে অর্থ সংকট ভোগান্তির। গ্রাহকদের সেবার নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন ব্যাঙ্ক কতৃপক্ষ।