শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরে বেড়েই চলছে ঠান্ডাজনিত শিশু রোগীর সংখ্যা

সজীব চন্দ্র দেবনাথ, চাঁদপুর / ৩০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১

চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দিন দিন শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। হঠাৎ আবহাওয়া পরির্তনের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এসব শিশু রোগীদের মধ্যে ঠান্ডা, জ্বর, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তবে সিট সংকট থাকায় ফ্লোরেই চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সরা। প্রতিদিন প্রচুর রোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। সিট সংকটে করিডোর ও মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে রোগীরা।

হাসপাতালের সিনিয়র নার্স মুক্তি রাণি দাস বলেন, গত ২০ ঘণ্টায় ৪৩ শিশু বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ৩১ অক্টোবর ৩২ জন, ১ নভেম্বর ২৭ ও ২ নভেম্বর ৪৩ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে মোট ১১৪ জন চিকিৎসা নিচ্ছে।

শিশু রোগীর মা তাসলিমা বলেন, হঠাৎ আমার বাচ্চার ঠান্ড-জ্বর শুরু হয়। না কমায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সিট না থাকায় বারান্দায় চিকিৎসা করাচ্ছি। কষ্ট হলেও কিছু করার নেই। এভাবেই থাকতে হবে। অনেক শিশুর অভিভাবকরা এ কারণে হাসপাতাল থেকে চলে গেছে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বয়োবৃদ্ধ এবং শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এ সময়টাতে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ্য হচ্ছে অনেকে। এ কারণে হাসপাতালে রোগীর প্রচুর চাপ। সবাই একটু সচেতন থেকে শরীরের প্রতি যত্নবান হতে হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ