চাঁদপুর জেলা জজ আদালতের নাজির নাদিম খান বলেন, সকাল ৮টার পরে জেলা জজের অফিস সহায়ক বাসু দরজা খুলতে এসে দেখে জজের খাস কামরার দরজার খোলা দেখেন। পরে তিনি দ্রুত আমাকে বিষয়টি অবগত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়সহ চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ, সিআইডি ও পিপিআইসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আদালতের ঊর্ধ্বতন এক কর্তকর্তা জানান, জজ সাহেবের খাস কামরা থেকে এমলিফায়ার, সিসিটিভির মনিটর, কম্পিউটার সিপিও, টিসু বক্স, চমশা, মাইক সেট, ফ্লাক্স, গাড়ির কাগজ, বেশ কয়েকটি মালটিফ্লাগ চোরের দল নিয়ে যায়। সে জিনিসপত্রগুলো দু’টো বস্তায় ভরে পাশে একটি ডোবায় ফেলে যায়। পরে পুলিশ, সিআইডি ও পিপিআই এর টিম ঘটনাস্থলে এসে ফেলে যাওয়া জিনিসিগুলো পর্যবেক্ষণ করে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি আবদুর রশিদ বলেন,পুলিশ সিসি টিভির ফুটেজ দেখছে। বিচারকরকরা আমাদের জানিয়েছেন যা যা খোয়া গেছে সেসব কিছুই উনারা পেয়েছেন। তারপরও আরও কিছু আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রকারের এজাহার দাখিল হয়নি।
এ ঘটনায় চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বলেন, কোর্টের বাইরে থেকে কিছু মালামাল আমরা উদ্ধার করেছি। চোর ধরার জন্য আমাদের পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রেয়েছে। এ ঘটনায় রাতে পাহারায় থাকা দুই নৈশ প্রহরীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।