শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম কাস্টমসে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড

বাণিজ্য ডেস্ক / ২৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

করোনা মহামারি সত্ত্বেও রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব পেয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আদায় হয়েছে ২৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। বৈদেশিক বাণিজ্য গতিশীল হওয়ায় আদায় বেড়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। 

দেশের মোট রাজস্বের বড় একটি অংশ আসে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের শুল্ক থেকে। চট্টগ্রাম বন্দর যার প্রধান উৎস। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ২৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকার রাজস্ব পেয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ২১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা।

কাস্টমস হাউজের তথ্য বলছে, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস বা জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে প্রধানত ২০টি খাত থেকেই সর্বোচ্চ ১২ হাজার কোটি টাকা শুল্ক আদায় হয়েছে। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আসে কয়েক হাজার ধরনের পণ্য থেকে।

এদিকে, শুল্ক দেয়ার ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখছে দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি শিল্পগ্রুপ। এসব প্রতিষ্ঠানের আমদানি থেকে আসছে সিংহভাগ শুল্ক। এছাড়া সরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও আমদানি খাতে বড় অংকের শুল্ক দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘সবাই আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তারাই আমাদের আয়ের প্রধান উৎস।’

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন উদ্যোক্তাদের স্বস্তি দিচ্ছে। গতিশীল হচ্ছে শিল্প বাণিজ্য।

পিএইচপি ফ্যামিলি চেয়ারম্যান সুফি মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যুতের অল্পতার জন্য মিল-ফ্যাক্টরির ৫০ শতাংশ চালাতাম আমরা। আজকের বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শুরু করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। বিদ্যুতের অভাবে কল-কারখানা এক মিনিটও বন্ধ হচ্ছে না। এগুলোই তো আমাদের অর্জন।’

করোনা মহামারি সত্ত্বেও শুল্ক আদায়ে এমন ইতিবাচক অগ্রগতির পেছনে নিজেদের সৃজনশীল উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার সালাহউদ্দিন রিজভী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রেভিনিউ আর্নিংয়ের গ্রোথ হলো প্রায় ২৬ শতাংশ। যেটা গত অর্থবছরে একই সময়ে ছিল প্রায় ২৩ শতাংশ।’

দৈনিক গড়ে ৭ হাজার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের চালানের বিপরীতে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ। আধুনিকায়নের পাশাপাশি কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো গেলে শুল্ক আদায় আরও বাড়ান সম্ভব।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ