শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে পাইকারিতে পিয়াজের দাম কমলেও খুচরায় দ্বিগুণ

চট্টগ্রাম ব্যুরো / ৩০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

পাইকারিতে তেমন কোনো প্রভাব না থাকলেও খুচরা বাজারে পিয়াজের দামে আগুন লেগেছে। এই আগুনের প্রভাব পড়ছে মধ্য ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের মাঝে। খুচরা বাজারে পিয়াজের দাম বেশি থাকায় পিয়াজ কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

তবে পিয়াজের মান ভেদে পাইকারিতে ২২ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও খুচরায় দাম বেশি রয়েছে। খুচরায় ক্রেতারা গত দুই সপ্তাহ ধরে ৭০-৭৫ টাকায় কেজিতে পিয়াজ কিনেছেন। বর্তমানে সেটি ৬০-৬৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। পাইকারিতে পিয়াজের দাম কমলেও খুচরায় প্রভাব পড়েনি। ফলে ক্রেতারা দাম কমার সুফল পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে মিয়ানমারের পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়। ভারতের পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। তাছাড়া প্রশাসনের কঠোর নজরদারিও রয়েছে বলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান।

মুরাদপুর এলাকার হাফেজ আহমদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, খুচরা বাজারে পিয়াজের দামে এতো আগুন কেন জানি না। ৬৫-৭০ টাকায় পিয়াজ কিনতে হচ্ছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষ এতো দামে কিভাবে পিয়াজ কিনে খাবে। তবে পাইকারি বাজারে তেমন দাম না থাকলেও একটা সিন্ডিকেট এসব করতে পারে বলে জানান তিনি।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, খাতুনগঞ্জের প্রতিটি গুদামে পিয়াজ ভর্তি। পাইকারি দাম কমতে কমতে ২০-২২ টাকায় এসেছে। নেই কোনো সিন্ডিকেট। তবে পিয়াজের দাম এখন কমতির দিকে বলেও জানান তিনি।

কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, পাইকারিতে পিয়াজের দাম কমলেও এর সুফল ভোক্তারা এখনও পাচ্ছেন না। দেশের বাজার ব্যবস্থাটা এমন কোনো কিছুর দাম বাড়লে সবাই বাড়িয়ে দেয়। কমলে সবাই কমায় না। পিয়াজের দাম কমার সাথে সাথে খুচরা পর্যায়েও কমা দরকার ছিল। এর জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামে ঐত্যিবাহী খাতুনগঞ্জের বাজার সূত্রে জানা গেছে, আড়তের সামনেই রেখে দেওয়া হয়েছে পিয়াজ। প্রত্যেকটি গুদামে পরিপূর্ণ পিয়াজ রয়েছে। সর্বনিম্ন পিয়াজ ২০-২২ টাকায় (বার্মা) বিক্রি করছেন আড়তদাররা। যদিও ভারতীয় পিয়াজ মান ভেদে ৪০ ও ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহ আগে ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দামে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ