চাঁদপুরের কচুয়ায় একটি জোড়া খাল পূন:খননের ফলে শান্তির স্বপ্ন দেখছে হাজারও কৃষক। অতীতে জমি থেকে ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে আসা বিড়ম্বনা সৃষ্টি ও রোপণের পর পরিচর্যার জন্য দিনের পর দিন বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা কিংবা জমিতে জলাবদ্ধতা হলেও এবার আর সেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। খাল পুনঃখননে জমির জন্য সহজেই পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও নতুন রাস্তা তৈরি হওয়ায় খুশি এখানকার কৃষকরা।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের প্রায় ২.৫ কি.মি. খালটি পূন:খননের কাজ করা হয়। এতে খাল খননে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জোড়া খালটি। দীর্ঘ ৫০ বছরেও জোড়া খালটি খনন না হওয়ায় সেচ কাজে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে অনেক কৃষকের। কুমিল্লা,চাঁদপুর,ব্রাহ্মনবাড়ি
কৃষকরা জানান, মাঠে জলাবদ্ধতার কারনে বোরো,শস্য অনেক ফসল নষ্ট হতো। চারদিকে পানি নিষ্কানের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা ভোগান্তিতে পড়ছে হয়েছে। এই প্রকল্পে আমাদের একসঙ্গে দুটি কাজ হয়েছে। একদিকে খাল খনন অপরদিকে নতুন রাস্তা নির্মাণ। খাল খনন ও রাস্তা তৈরি হওয়ায় দুটি গ্রামের ব্যাপক সুবিধা হয়েছে। প্রকল্পটিতে অনেক উপহার হচ্ছে বলেও জানান তারা।
বেঙ্গল টেকনোলজির ঠিকাদার মো. রাশেদুর রহমান, বলেন, প্রায় ২.৫ কিলোমিটার খাল খননের কাজ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল টেকনোলজি। কৃষক ও এলাকাবাসীর সহায়তা কাজ সম্পূর্ন হয়েছে। পাশাপাশি খাল খননের ফলে কৃষকরা তাদের উপকার হবে বলে জানান এ ঠিকাদার।
উপজেলা বিএডিসি কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম জানান, বিতারা ইউনিয়নের জোড়া খাল খননের ফলে প্রকল্পের মাধ্যমে ২.৫ কি. মিটার খাল খনন করার ফলে প্রায় জমির জলাবদ্ধতা নিরসন হবে পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবস্থার ফলে কৃষকরা সহজে সেচ প্রদান করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।