প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে।
রোডম্যাপ অনুযায়ী মোট ২৪টি কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো থেকে প্রধান বিষয়গুলো হলো—
আসছে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে, যা প্রায় দেড় মাস চলবে।
দ্বিতীয় ধাপের খসড়া ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, চূড়ান্ত করা হবে ৩১ আগস্ট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ৩০ নভেম্বর, খসড়া তালিকা প্রকাশ ১ নভেম্বর।
নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট আইন, যেমন সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ আইন, ভোটার তালিকা আইন, নির্বাচন পরিচালনা আইন, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন ১৯৯১, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন ২০০৯ প্রণয়ন ও সংশোধনের প্রক্রিয়া ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।
নির্বাচনের জন্য জিআইএস ম্যাপ, নির্বাচনী ম্যানুয়েল, নির্দেশিকা, পোস্টার ও অন্যান্য উপকরণ ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ও প্রকাশিত হবে।
পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নিবন্ধন ২২ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে, বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অনুমতি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দেওয়া হবে।
নির্বাচনের জন্য ব্যালট চূড়ান্ত করা হবে ৩০ নভেম্বর, নির্বাচনের বাজেট চূড়ান্ত করা হবে ১৫ নভেম্বর।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম সভা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর, এবং এরপরে ধাপে ধাপে অন্যান্য কার্যক্রম নেওয়া হবে।
নির্বাচন পরিচালনার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, আইসিটি সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি একই তারিখের মধ্যে শেষ হবে।
নির্বাচনকালীন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা, ফলাফল প্রকাশ ও প্রচার, প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রম আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
রোডম্যাপ প্রকাশের সময় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, এই কর্মপরিকল্পনাগুলো নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সময়মতো সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।