শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ‘বীর নিবাস’ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দর্পণ ডেস্ক / ২৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

ভিটেমাটিহীন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ‘বীর নিবাস’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।

বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশিদ।  তিনি বলেন ন, এই প্রকল্প নিয়েই প্রধানমন্ত্রী মোট ছয়টি অনুশাসন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রথমে ১৪ হাজার বীর নিবাসের প্রস্তাব থাকলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩০ হাজার বীরনিবাস তৈরির জন্য প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রায় সব মুক্তিযোদ্ধারই সাধারণত ভিটেমাটি আছে। কিন্তু যাদের একান্তই কোনো ভিটেমাটি নেই, তাদের জেলা প্রশাসক বা ইউএনওর মাধ্যমে জমির ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা যেন প্রয়োজনে প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া, প্রকল্পটির মেয়াদ তিন মাস বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুনের পরিবর্তে অক্টোবর পর্যন্ত করতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ও অর্থায়নে যেন চাপ না থাকে সেজন্য চলতি অর্থবছর থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। চার অর্থবছর মিলেই যেন টাকাটা ছাড় দেওয়া যায়। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ অর্থ সরবরাহ বেড়ে যাবে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার একনেক সভায় ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫ হাজার ৬১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ৫১৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ পাওয়া যাবে ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৪২ কোটি ৭ লাখ টাকা। আর ‘বীর নিবাস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ