শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৮ দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের আঞ্চলিক সম্মেলন দুর্গাপূজায় ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএনসিসির নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল প্রায় ১২ টাকা, নতুন দর ১০৮.৭৮ টাকা চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

অমর একুশে আজ

দর্পণ ডেস্ক / ৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, বাঙালির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনটিতেই মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন রফিক, সালাম, বরকত, শফিউর, জব্বারসহ আরও অনেক বীর বাঙালি। তাদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ, উন্মোচিত হয়েছিল বাংলা ভাষার অধিকার।

এই দিনটি শুধু শোকের নয়, বরং বাঙালির গর্বেরও। কারণ, এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই সূচিত হয়েছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ, যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়।

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে শহীদ মিনারে।

এই বছর, একুশে ফেব্রুয়ারির মূল প্রতিপাদ্য হলো “জুলাই গণ অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ”। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের উৎসর্গ করে এই থিম নির্ধারণ করা হয়েছে।

একুশে ফেব্রুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং সারা বিশ্বের কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।

আজ সরকারি ছুটির দিন। দেশের সর্বত্র অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা। টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। জাতীয় দৈনিকগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান বর্ণমালাসংবলিত ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারা দেশেই আজ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ