এই দিনটি শুধু শোকের নয়, বরং বাঙালির গর্বেরও। কারণ, এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই সূচিত হয়েছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ, যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়।
একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে শহীদ মিনারে।
এই বছর, একুশে ফেব্রুয়ারির মূল প্রতিপাদ্য হলো “জুলাই গণ অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ”। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের উৎসর্গ করে এই থিম নির্ধারণ করা হয়েছে।
একুশে ফেব্রুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং সারা বিশ্বের কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
আজ সরকারি ছুটির দিন। দেশের সর্বত্র অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা। টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। জাতীয় দৈনিকগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান বর্ণমালাসংবলিত ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারা দেশেই আজ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।