শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

দেশে ৩০ শতাংশ প্রসব ঘটে অদক্ষ দাইয়ের হাতে

দর্পণ ডেস্ক / ১৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে দেশের মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই চিত্র যেমন আছে, তেমনি এই বাস্তবতাও রয়েছে প্রতিদিন শুধু সন্তান জন্মদিতে গিয়ে কমপক্ষে ১১ মায়ের প্রাণ ঝরে যায়। প্রশ্ন হলো, কেন এমনটা হচ্ছে? চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা।

দশ মাস দশদিন গর্ভে ধারণ। মাতৃত্বের এই যুদ্ধ জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ের মতন।

এদেশের আর্থ-সামজিক বাস্তবতায় সব মায়েরা সফল হয় না। অভিজ্ঞতা থাকে না, ন্যুনতম প্রস্তুতিও থাকে না, বরং থাকে কু-সংস্কারের পরিবেশ। এরইমাঝে একজন মায়ের পথ চলা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিংবা পরিচর্যা, বহু দূরের বিষয়।

এই যাত্রায় অনেকে কষ্টে উৎরে যায় ঠিকই কিন্তু কারো কারো ভাগ্য প্রসন্ন হয় না। অকাল গর্ভপাত মিস-ক্যারেজ হয়। দুর্ঘটনা বলা হলেও পরিবারের সদস্যরা অবহেলার দায় এড়াতে পারেন না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দিনে গড়ে ১১ জন মা প্রাণ হারান। দেশে গেল বছর সর্বশেষ ‘স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম জরিপ’ পরিচালিত হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, ৬৫ ভাগ শিশু হাসপাতালে ভূমিষ্ট হয়, বাকি ৩৫ ভাগ বাড়িতে।

কিশোর কিশারী প্রজজন স্বাস্থ্য প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে যে মায়েরা মারা যায় তার মধ্যে অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো প্রসবপরবর্তী রক্তক্ষরণ, তাতে ২৪ শতাংশ মা মারা যায়। এগুলো প্রতিরোধের জন্য আমরা মানুষকে পরামর্শ দিচ্ছি, সেবা দিচ্ছি।”

এখনও দেশে ৩০ শতাংশ প্রসবের ঘটনা ঘটে অদক্ষ দাইয়ের মাধ্যমে। আবার, প্রতিবছর প্রসবজনিত রক্তক্ষরণে ৩১ শতাংশ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু ঘটে। আরও ভয়ংকর তথ্য, গর্ভকালীন সময়ে কমপক্ষে ৪ বার চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার কথা থাকলেও অনেকে তা নেন না।

স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ মনজুন নাহার বলেন, “বছরে প্রায় ৫৩ লাখ মা গর্ভবতী হচ্ছেন বাংলাদেশে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ আন-সেভ অ্যাবশনের দিকে যায়।”

পরিমিত খাবার, বিশ্রাম ও চলাচলের সাধারণ বিধিনিষেধ মেনে চলার কথা বলা হলেও ক’জন-ই বা তা মানতে পারেন।

মেরী স্টোপস বাংলাদেশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সুমনা ফেরদৌস বলেন, “তার শারীরিক পুষ্টি দরকার আছে, তার মানসিক পুষ্টি দরকার আছে, শারীরিক ব্যায়ামের দরকার আছে।”

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃ মৃত্যুর হার কমাতে এখন জনসচেতনতার কোন বিকল্পও দেখছেন না স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা। (একুশে টিভি)


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ